পবিপ্রবিতে আইকিউএসি সেন্টারের উদ্যোগে আইটি কর্মশালা

পবিপ্রবিতে আইকিউএসি সেন্টারের উদ্যোগে আইটি কর্মশালা

 





পবিপ্রবি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পবিপ্রবি) ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুউরেন্স সেল (আইকিউএসি) সেন্টারের উদ্যোগে সিনিয়র সহকারী ও জুনিয়র সহকারীদের আইটি ডেভেলপমেন্টের জন্য দিনব্যাপী এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট)  সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত উক্ত কর্মশালা  অনুষ্ঠিত হয়। 

আইকিউএসি সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. ইখতিয়ার উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. এস. এম হেমায়েত জাহান, আইকিউএসি সেন্টারের অতিরিক্ত পরিচালক  অধ্যাপক ড. মো: আব্দুল মাসুদ,আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো: শামসুজ্জামান। 
আইকিএসি সেন্টারের ডেপুটি রেজিস্ট্রার ড. আমিনুল ইসলাম টিটুর সঞ্চালনায় আরো উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা এবং কর্মচারীবৃন্দ।

অধ্যাপক ড. ইখতিয়ার উদ্দিন বলেন,বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণয়া কৃতিত্ত্ব ও স্বীকৃতি অর্জনে আইকিউএসি বিশেষ ভুমিকা রাখবে বলে আমার বিশ্বাস।বিশ্ববিদ্যালযের সবচেয়ে গুরুত্বপর্ণ কাজ হচ্ছে শিক্ষা ও গবেষনা কাজ পরিচালনা করা এবং এ কাজে সরাসরি যুক্ত থাকে ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষক। অপনারা আপনাদের মেধা ও শ্রম দিয়ে সেই কাজে সহযোগিতা করে থাকেন। উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য দরকার উন্নত সেবা। তাই সেবা প্রদানকারী ইউনিট হিসেবে আপনাদের দক্ষতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই।

রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান বলেন, সিনিয়র সহকারী ও জুনিয়র সহকারীগণ একটি অফিসের মূল চালিকাশক্তি কারণ  তারা ফাইলে প্রথম নোট লেখেন। অন্যদিকে তারা সকল ইমেইল ও অফিস আদেশ গ্রহণ করেন। অফিস প্রধানগনের জরুরী ইমেইলের জবাব দেন ও অবহিত করেন। কিন্তু এসব কাজে অনেকেরই দক্ষতার অভাব আছে। তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে অফিস কে আরও গতিশীল করতে হবে।  আইকিউএসি আয়োজিত এই কর্মশালা অফিস ব্যবস্থাপনায় ভূমিকা বাখবে বলে আশা করি।  


বন্যার্তদের একদিনের বেতনের টাকা দিবে পবিপ্রবি শিক্ষক সমিতি

বন্যার্তদের একদিনের বেতনের টাকা দিবে পবিপ্রবি শিক্ষক সমিতি

 






পবিপ্রবি প্রতিনিধি:

দেশের বন্যাকবলিত মানুষদের সহায়তায় সরকারের প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিলে একদিনের বেতনের সমপরিমাণ অর্থ জমা দেবেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) শিক্ষকবৃন্দ। 


শনিবার (২৪ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর জেহাদ পারভেজ ও সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. মোঃ আসাদুজ্জামান মিয়া স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে জানানো হয়।


বাংলাদেশে চলমান আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতিতে অসহায় মানুষদের সাহায্যার্থে পবিপ্রবি শিক্ষক সমিতি শনিবার (২৪ আগস্ট) সকাল ১১:০০ টায় এক জরুরী অনলাইন সাধারণ সভার আয়োজন করে।


উক্ত সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বন্যার্তদের সহায়তায় পবিপ্রবির শিক্ষকবৃন্দের এক দিনের বেতনের সমপরিমান অর্থ প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিলে প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়। অনতিবিলম্বে অর্থ প্রদানের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে জানা যায়। 



শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে মধ্যরাতে ক্যাম্পাস ছাড়লেন পবিপ্রবির ২ ছাত্রলীগ নেতা

শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে মধ্যরাতে ক্যাম্পাস ছাড়লেন পবিপ্রবির ২ ছাত্রলীগ নেতা

 


পবিপ্রবি প্রতিনিধি:


সাধারণ শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে মধ্যরাতে ক্যাম্পাস ত্যাগ করলেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) ২ ছাত্রলীগ নেতা। এরা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের ২০১৭-১৮ সেশনের মো: মাজহারুল ইসলাম ও একই অনুষদের ২০১৮-১৯ সেশনের মো: জাহাঙ্গীর আলম। 

শুক্রবার (২৩ আগষ্ট) মধ্যরাতে তারা একসাথে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ত্যাগ করেন। জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে তাদের অবস্থান জানতে পেরে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এ সময় মো: মাজহারুল ইসলাম ও  মো: জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীরা বিগত দিনে শিক্ষার্থী নির্যাতন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ লোপাট, ডাইনিংয়ে অসদাচরণ সহ বিভিন্ন অভিযোগ করতে থাকে। এমনকি বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় তারা এ আন্দোলনের বিপক্ষে অবস্থান নেন। পাশাপাশি এ আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী কয়েকজন শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ভাবে হুমকি দেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র ব্যাচ সমূহ পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে।


পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাহিরে চলে গেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের হল প্রশাসন ও প্রক্টরিয়াল বডির সহযোগিতায় মো: মাজহারুল ইসলাম ও মো: জাহাঙ্গীর আলমকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের সামনে এসে উভয়ই তাদের কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা চান। 


এসময় সাধারণ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে ছাত্রলীগ নেতা মো: মাজহারুল ইসলাম বলেন, “এ আন্দোলনে আমার আপনাদের সাথে থাকা উচিত ছিলো, আমি এতোদিন যা করেছি সব ভুল করেছি। আমাকে সবাই ক্ষমা করে দেন। ভবিষ্যতে আর কোন রাজনৈতিক সংগঠনের সাথে যুক্ত থাকবো না।”


ছাত্রলীগ নেতা মো: জাহাঙ্গীর আলম শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “আমি বুঝতে পারি নাই, আমি অতীতের কার্মকান্ডের জন্য ক্ষমা চাচ্ছি। আমাকে সকলে ক্ষমা করে দিবেন। ভবিষ্যতে আর কোন রাজনৈতিক সংগঠনের সাথে আমি যুক্ত থাকবো না।”


পরবর্তীতে মো: মাজহারুল ইসলাম ও মো: জাহাঙ্গীর আলম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি, হল প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনীর সহযোগিতায় রাত ৩ টায় ক্যাম্পাস ত্যাগ করে। প্রসঙ্গত, মো: মাজহারুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও মো: জাহাঙ্গীর আলম বিশ্ববিদ্যালয়ের শের-ই-বাংলা হল-১ এর সভাপতি পদপ্রার্থী ছিলেন।

বিশ্বের ২% গবেষকের একজন পবিপ্রবির অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম

বিশ্বের ২% গবেষকের একজন পবিপ্রবির অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম


পবিপ্রবি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের

(পবিপ্রবি) অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম একজন স্বনামধন্য গবেষক ও শিক্ষার্থীবান্ধব শিক্ষক। শিক্ষার্থীবান্ধব এই গবেষককে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতি নির্ধারণী পদে প্রত্যাশা করেন। জাপানের টোকিও ইউনিভার্সিটি সহ বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লেখাপড়া সম্পন্ন করে তিনি পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত আছেন। বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যোগদান করার প্রস্তাব পেয়েও তিনি দেশের সেবার কথা চিন্তা করে এবং শিক্ষার্থীদের অনুরোধে সুযোগ গ্রহণ করেননি। ২০০ টিরও বেশি গবেষণা প্রবন্ধ তার আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। এর পাশাপাশি অসংখ্য বিদেশী প্রকল্প তিনি তত্ত্বাবধায়ন করেছেন। দলীয়করনের কারণে তিনি বাংলাদেশে সঠিক মূল্যায়ন পান নি বলে অনেকের অভিযোগ। কর্মস্পৃহা ও দক্ষতায় তিনি অনন্য। 


পবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির সর্বশেষ গবেষণা যাচাই বাছাই করে ড. সাইফুল প্রথম স্থান অধিকার করেছেন। প্রচন্ড  উদ্যমী এই মানুষটি সবসময় আড়ালে পড়ে থাকেন। কিন্তু এখন সময় এসেছে তাদের মতো অত্যন্ত মেধাবীদের হাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো তুলে দেয়ার বলে শিক্ষার্থীরা মনে করেন। কারণ বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয় করতে এমন মুষ্টিমেয় অধ্যাপকদের প্রয়োজন অন্যথায় মেধাবীরা দেশবিমুখী হলে দেশের জন্য ক্ষতির কারণ হবে বলে শিক্ষার্থীদের ধারণা। ব্যক্তি জীবনে অধ্যাপক ড. সাইফুল কোনো দূর্নীতি অনিয়মের সহচর বা দলীয় রাজনীতি বা লেজুড়বৃত্তির উর্ধ্বে। যার কারণে তিনি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হওয়ার যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও হতে পারেননি। 


বিশ্ববদ্যালয়ের একজন প্রাক্তন শিক্ষার্থীর মতামত জানতে চাইলে তিনি বলেন, দেশে অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম বাংলাদেশের সম্পদ। এই অসামান্য সম্পদের সঠিক মূল্যায়ন করা উচিত অন্যথায় দেশ পথ হারাবে। শিক্ষার্থীদের দাবি এমন অধ্যাপক ভিসি হলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মান বাড়বে। দলীয়করণ না করে যিনি যোগ্য তাকে দিয়ে পরিচালিত হোক বিশ্ববিদ্যালয়। ভিসি হওয়ার দৌড়ে সাদা, নীল, লালের ভিড়ে স্বনামধন্য গবেষকরা নিচে পড়ে আছে।


আরেক শিক্ষার্থী বলেন, অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলামের প্রায় ১২ হাজারের কাছাকাছি সাইটেশন। এতো বড় গবেষণা প্রোফাইল সত্যি প্রশংসনীয় এবং তিনি অত্যন্ত ভালো মানের একজন শিক্ষক। 


অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলামকে তার পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বাংলাদেশের জন্য যেকোনো চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে আমি প্রস্তুত। তবে সেটি হতে হবে দেশের স্বার্থে, ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হতে চাইলে বিদেশে সুযোগ ছিলো। তদবির কিংবা অসৎভাবে আমি কোনো পদ-পদবী পেতে আগ্রহী নই।

দেশের সার্বিক পরিস্থিতি জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি মনে করি শিক্ষার্থীদের বিজয় হয়েছে। শিক্ষকদের উচিত শিক্ষার্থীদের আস্থার জায়গা ফিরিয়ে আনতে কাজ করা। দেশ সংস্কারে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে। তবে তাদের সেশনজটগুলো কাটাতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। পাশাপাশি গবেষণার পরিবেশ সৃষ্টি করা এখন সময়ের দাবি বলে আমি মনে করি। কেননা অত্যন্ত মেধাবী এই শিক্ষার্থীরা হতাশ হয়ে বিদেশে চলে যাচ্ছে তাদের মেধার সঠিক মূল্যায়ন করতে পারলে দেশ এগিয়ে যাবে। দুর্নীতি অনিয়মের বিরুদ্ধে সংগ্রাম অব্যাহত থাকা উচিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে।

 

পবিপ্রবির ভিসি ও ট্রেজারারের পদত্যাগ

পবিপ্রবির ভিসি ও ট্রেজারারের পদত্যাগ


 পবিপ্রবি প্রতিনিধি:


পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত এবং ট্রেজারার প্রফেসর মোহাম্মদ আলী পদত্যাগ করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) রাত ১১টায় তাদের  উভয়ের  পদত্যাগপত্র গণমাধ্যম কর্মীদের হাতে আসে এবং তাঁরা অপরাহ্নে ত্যাগ করেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব বরাবর লিখিত পদত্যাগ পত্রে প্রফেসর ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত উল্লেখ করেন তিনি ব্যক্তিগত ও পারিবারিক প্রয়োজনে ভাইস চ্যান্সেলর পদ থেকে পদত্যাগ করলেন।অপরদিকে প্রফেসর মোহাম্মদ উল্লেখ করেন তিনি ব্যক্তিগত কারণে ট্রেজারার পদ থেকে পদত্যাগ করলেন।

উল্লেখ্য, প্রফেসর ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত গত ২১ মে, ২০২১ থেকে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।