ইবি সিআরসির সভাপতি ইমদাদুল, সম্পাদক মশিউর

ইবি সিআরসির সভাপতি ইমদাদুল, সম্পাদক মশিউর

Post Image

ইবি প্রতিনিধি: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) পথ শিশুদের নিয়ে কাজ করা সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কাম ফর রোড চাইল্ড (সিআরসি) এর নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এতে হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ইমদাদুল হক সভাপতি এবং দাওয়াহ এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের একই বর্ষের মশিউর রহমান সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে সিআরসি'র কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে অনলাইনে এই কমিটি ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. রাসেল মিয়া।

নবগঠিত কমিটির অন্যরা হলেন-সহ-সভাপতি মোরছালিন ও সাঈদ আকতার সাকিব, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক জেরিন আক্তার উর্মি, অর্থ সম্পাদক ফাহিম মাহমুদ, সহকারী অর্থ সম্পাদক মুমতাহিনাহ্ রহমান, দপ্তর সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, প্রচার সম্পাদক সাইফুন্নাহার লাকি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পাদক বজলুর রহমান, নারী ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক আঁখি আলমগীর, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক রেজাউল করিম সিকদার, আইন সম্পাদক আঁখি খাতুন এবং সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক রমজান আলী। এছাড়াও স্কুল পরিচালক হিসেবে সাইফুল ইসলাম, শিক্ষা ও পাঠ্যচিত্র বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে হাছিবুর রহমান এবং স্কুল ও ছাত্রবৃত্তি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে সাধনা খাতুন মনোনীত হয়েছেন।

নবনিযুক্ত সভাপতি ইমদাদুল হক বলেন, সি আর সি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করার জন্য। আমরা সবাই একত্রে পরিবারের মতো কাজ করে এই শিশুদের ভবিষ্যতকে উজ্জ্বল করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান বলেন, এই দায়িত্ব আমাকে অর্পণ করায় আমি সি আর সি পরিবারের সকলের প্রতি কৃতজ্ঞ। আমরা সকলে একত্রে কাজ করে এই পৃথিবী থেকে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের অবস্থা পরিবর্তনের চেষ্টা করবো। সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে সি আর সি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার যাত্রা শুরু করে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি ক্যাম্পাসের পার্শ্ববর্তী এলাকায় সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে আসছে। বর্তমানে সি আর সি পরিচালিত স্কুলে প্রায় ৫০ জন সুবিধাবঞ্চিত শিশুকে বিনামূল্যে শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে এবং তাদের জন্য শিক্ষা উপকরণ সরবরাহ করা হচ্ছে। এছাড়াও, সংগঠনটি বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রশংসা অর্জন করেছে।

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ট্রেজারার অধ্যাপক ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ট্রেজারার অধ্যাপক ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী

Post Image

ফয়সাল,জাককানইবি প্রতিনিধি : জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাককানইবি) ট্রেজারার হিসেবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের অনুমোদনে ২০০৬ সালের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় আইনের ১২(১) ধারা অনুযায়ী ড. জয়নুল আবেদীনকে চার বছরের জন্য ট্রেজারার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাঁর নিয়োগকালীন সময়ে তিনি তাঁর বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন ও অন্যান্য সুবিধা ভোগ করবেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে সার্বক্ষণিকভাবে অবস্থান করবেন।

এছাড়াও, ড. জয়নুল বিশ্ববিদ্যালয়ের সংবিধি অনুযায়ী প্রদত্ত দায়িত্ব পালন করবেন এবং ভাইস-চ্যান্সেলর কর্তৃক অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন। রাষ্ট্রপতি প্রয়োজনে যেকোনো সময় এই নিয়োগ বাতিল করার ক্ষমতাও রাখেন।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো.রেজাউল করিম

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো.রেজাউল করিম

Post Image

খুবি প্রতিনিধি, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও গ্রামীণ পরিকল্পনা ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম ।

বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) মহামান্য রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উপসচিব মোছা. রোখছানা বেগম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, 'রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ১৯৯০ এর ১১(১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক ড. মো:রেজাউল করিমকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিযুক্ত করা হলো।'

নিয়োগের শর্ত হিসেবে বলা হয়, 'উপাচার্য হিসেবে তাঁর নিয়োগের মেয়াদ যোগদানের তারিখ হতে ৪ বছর হবে, ওই পদে তিনি তাঁর বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতনভাতাদি পাবেন, তিনি বিধি অনুযায়ী পদসংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুবিধা ভোগ করবেন,  তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে অবস্থান করবেন এবং মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর প্রয়োজনে যে কোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন।'

ড.মো.রেজাউল করিম স্যার বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ থেকে বিএসসি ডিগ্রী সম্পন্ন করে। এরপর তিনি বুয়েটের নগর ও গ্রামীণ পরিকল্পনা বিভাগ থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। ২০০০ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ থেকে তিনি পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

একই দিনে মহামান্য রাষ্ট্রপতির আরেকটি প্রজ্ঞাপনে উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন পদার্থ বিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মো: হারুনুর রশিদ খান

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আলিমুল ইসলাম

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আলিমুল ইসলাম

Post Image

বাকৃবি প্রতিনিধি: সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) মাইক্রোবায়োলজি এন্ড হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আলিমুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) মহামান্য রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উপসচিব মোছা. রোখছানা বেগম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, 'রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০৬ এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক ড. মো: আলিমুল ইসলামকে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিযুক্ত করা হলো।'

নিয়োগের শর্ত হিসেবে বলা হয়, 'উপাচার্য হিসেবে তাঁর নিয়োগের মেয়াদ যোগদানের তারিখ হতে ৪ বছর হবে, ওই পদে তিনি তাঁর বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতনভাতাদি পাবেন, তিনি বিধি অনুযায়ী পদসংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুবিধা ভোগ করবেন,  তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে অবস্থান করবেন এবং মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর প্রয়োজনে যে কোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন।'

আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মাইক্রোবায়োলজিস্ট এবং ভাইরোলজিস্ট অধ্যাপক ড. মো. আলিমুল ইসলাম বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অনুষদ থেকে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন এবং একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি ও লাভ করেন। এরপর জাপানের নাগাসাকির ইনস্টিটিউট অফ ট্রপিক্যাল মেডিসিন থেকে পোস্টডক্টরেট করেন। তার ১৮৩টি জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক প্রকাশনা রয়েছে।

ইবির হল ডাইনিং পরিদর্শনে উপাচার্য, পরিবর্তনের প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

ইবির হল ডাইনিং পরিদর্শনে উপাচার্য, পরিবর্তনের প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

Post Image

ইবি প্রতিনিধি: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আবাসিক হলের ডাইনিং পরিদর্শন করেছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ।

এসময় হলের সার্বিক বিষয়ে খোঁজ-খবর নেন তিনি। উপাচার্যের হল পরিদর্শনের ফলে হলের উন্নয়নের স্বপ্ন দেখছেন শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ রাসেল ও শেখ মুজিবুর রহমান হলের ডাইনিং ও লাইব্রেরি পরিদর্শন করেন উপাচার্য। পরিদর্শনকালে উপাচার্যের সাথে থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আ ব ম সিদ্দিকুর রহমান আশ্রাফী ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

শেখ রাসেল হলের আবাসিক শিক্ষার্থী অর্নব হাসান বলেন, আমাদের খুব ভালো লাগছে যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আমাদের হল পরিদর্শনে এসেছেন। আমাদের দীর্ঘদিন ধরেই অনেক দাবি দাওয়া ছিলো। হল প্রভোস্ট না থাকায় সেই দাবীগুলো আমরা যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট পৌঁছাতে পারিনি। কিছুদিন আগেই আমাদের প্রভোস্ট নিয়োগের পরে শিক্ষার্থীদের সাথে তার মতবিনিময়ের কথা থাকলেও তার আগেই ভিসি স্যার আমাদের সাথে এসে দেখা করেছেন। এটা দেখে সাধারণ ছাত্র হিসেবে আমরা উচ্ছ্বাসিত। আমরা হলের উন্নয়নের বিষয়ে কিছু দাবি ভিসি স্যারের নিকট উত্থাপন করেছি। আমরা উপাচার্যের মাধ্যমে হলের উন্নয়নের প্রত্যাশা করছি।

পরিদর্শনকালে হলের উন্নয়নে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দাবির প্রেক্ষিতে সার্বিক পরিবর্তনের আশ্বাস দেয় উপাচার্য। তিনি বলেন, এই দাবি-দাওয়া যদি কয়েকদিনের মধ্যে পূরণ না হয় তাহলে পুনরায় শিক্ষার্থীদের সাথে মতবিনিময়ে বসবেন তিনি।

‘ডুসাইল, এ ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্ট এসোসিয়েশন’ এর নেতৃত্বে আতিক-তৌকির

‘ডুসাইল, এ ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্ট এসোসিয়েশন’ এর নেতৃত্বে আতিক-তৌকির

Post Image

শেরপুর জেলা প্রতিনিধি:

দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দ্বারা পরিচালিত শেরপুর জেলার শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘ডুসাইল, এ ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্ট এসোসিয়েশন’এর নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।

মো. আতিক হাসানকে (চবি) সভাপতি ও রকিবুল ইসলাম তৌকিরকে (ঢাবি) সাধারণ সম্পাদক নিযুক্ত করে আগামী ১ বছরের জন্য ২৬ সদস্যের কমিটি গঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) শিক্ষার্থীদের সংগঠন ডুসাইল থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

. সহ-সভাপতি: আফরোজ সিয়াম (জাবি) . যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক: মোহাম্মদ সাকিব (রা.বি.) . সাংগঠনিক সম্পাদক: আতিকুর রহমান (রা.বি.) . দপ্তর বিষয়ক সম্পাদক: মোঃ আশিকুল ইসলাম (জাতীয় বি.). অর্থ বিষয়ক সম্পাদক: মোঃ মামুন (চ.বি) . তথ্য ও পরিকল্পনা সম্পাদক: মোঃ সাগর সরকার (জা.ক.কা.ন.ই.বি.) . নারী ও শিশু উন্নয়ন সম্পাদক: মিম ইয়াসমিন (চ.বি) . ক্রীড়া ও মাদক নির্মূল বিষয়ক সম্পাদক: মো: আতিক হাসান অন্তর (কু.বি) . ত্রান ও দূযোর্গ মুকাবিলা সম্পাদক: ইব্রাহিম (জাতীয় বি.) . জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও জনকল্যাণ সম্পাদক: রিতু মনি (ব.শে.মু.র.কৃ.বি.) . বৈষম্য ও দুর্নীতিদমন সম্পাদক: মোঃ আব্দুল খালেক (ব.শে.মু.র.কৃ.বি.) . সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক: রাজিউল ইসলাম রাফি (চ.বি) . শিক্ষা ও সংস্কার সম্পাদক: মোঃ মিনহাজ (ঢা.বি) . বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক: মোঃ রাকিবুল হাসান রাকিব (জ.বি.) . আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক: হ্যাপি আক্তার (মা.ভা.বি.প্র.বি.) . প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক : জুবাইর হাসান শান্ত (জ.বি) . ধর্ম ও নৈতিকতা সম্পাদক: মোঃ ওয়াসিম (চ.বি) . বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক: শ্রী নন্দদুলাল বর্মণ (জা.ক.কা.ন.ই.বি) . সমাজ ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক: মোঃ সজিব হোসেন (রা.বি.)

. কার্যনির্বাহী সদস্য: ক. মোঃ আসলাম (জা.ক.কা.ন.ই.বি.) খ. আল রাফি (ঢা.বি.) গ. মনির হোসেন (কু.বি.) ঘ. মিজানুর রহমান নুরালম (জ.বি.) ঙ.সামিয়া আক্তার (জবি)

উপদেষ্টা পরিষদ: • হাসান জাকারিয়া মিতুল (চ.বি.) • আকতারুজ্জামান (জাতীয় বি.) • আরমান হাসান (জ.বি.) • নুরনবী (লাবিব হাসান) (জা.ক.কা.ন.ই.বি.) • মশিউর রহমান (জাতীয় বি.) • সোহানুজ্জামান (রা.বি.) • ওয়াহিদুল ইসলাম অনন্ত (রা.বি.) • মেহেদী হাসান লাভলু (জাতীয় বি.) • মোঃ সোহেল (জাতীয় বি.) • উসমান মিয়া (ঢা.বি.) • শরিফ ইসলাম (পা.বি.প্র.বি.)

সভাপতি আতিক হাসান জানান, ডুসাইল শিক্ষার্থীদের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, সমাজের সার্বিক উন্নয়ন সাধণ করার পাশাপাশি নানান অসংগতি দূর করে বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মান করায় আমাদের লক্ষ্য। ডুসাইল তার নীতিগত বিশ্বাস অক্ষুণ্ণ রেখে দেশ সংস্কারে এগিয়ে যাবে।

উল্লেখ্য, ডুসাইলের উপদেষ্টামণ্ডলীদের সর্বসম্মতিক্রমে উক্ত কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

গভীর রাতে ইবি সংলগ্ন ছাত্র মেসে ছাত্রী

গভীর রাতে ইবি সংলগ্ন ছাত্র মেসে ছাত্রী

Post Image

ইবি প্রতিনিধি: গভীর রাতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ছাত্রদের মেসে এক ছাত্রীর অবস্থান করার ঘটনা ঘটেছে।

এ নিয়ে রাতে ব্যাপক হট্টগোল হয়। মেসটির অন্য ছাত্ররা ওই ছাত্রী ও তাকে মেসে নিয়ে আসা ছাত্রকে আটকে রাখেন। গতকাল বুধবার রাত ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু হল সংলগ্ন তিনবোন ছাত্রাবাসে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অভিযুক্তরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। অভিযুক্ত ছেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স ব্যাংকিং বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ফুয়াদ। পরে ঐ দুই শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের মধ্যস্থতায় তাদের হেফাজতে নেওয়া হয়।

মেসের ছাত্রদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ওই কক্ষটিতে শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহবায়ক আনোয়ার পারভেজ অবস্থান করেন। তবে ঘটনার সময় তিনি মেসে ছিলেন না। একই কক্ষে মার্কেটিং বিভাগের ২০১৯-২০ বর্ষের আলামিন নামের এক ছাত্রদল কর্মী থাকেন। আলামিনের বিভাগের জুনিয়র ফুয়াদ গভীর রাতে তার বান্ধবীকে নিয়ে ঐ রুমে আসে। এক পর্যায়ে ওই ছাত্রীকে রুমে রেখে সে বাইরে খাবার আনতে গেলে মেসের অন্য শিক্ষার্থীরা টের পেয়ে এসে মেয়েকে দেখতে পায়। পরে তারা তাদের আটক করে রাখে। 

পরে তিনবোন ছাত্রাবাসের মেস মালিক প্রবাসে থাকায় ওই মেস মালিকের ভাই মিজানুর রহমান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। এরপর মেসে অবস্থানরত শিক্ষার্থীরা দুজনকে প্রশাসনের হাতে তুলে দিতে চাইলে, মিজানুর রহমান ছেলেটিকে কৌশলে পার করে দেন বলে অভিযোগ ছাত্রাবাসের শিক্ষার্থীদের। আর মেয়েটিকে মিজান তার জিম্মায় রাখেন। এক পর্যায়ে ছেলেটিকে বের করে দেওয়ায় শিক্ষার্থীরা মিজানের উপর ক্ষিপ্ত হন। এসময় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক এস এম সুইট ও ইবি ক্যাম্পাসের নিরাপত্তার দায়িত্ব থাকা আশরাফ উদ্দীন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে প্রশাসনের মাধ্যমে সমাধানের আশ্বাস দেন। বর্তমানে অভিযুক্ত দুজনই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের হেফাজতে রয়েছে।

অভিযুক্ত ওই ছাত্রী বলেন, আমি পার্শ্ববর্তী নুর জাহান ছাত্রী মেসে থাকি। গতরাতে বান্ধবীর মেসে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে থাকার জন্য মেস থেকে ছুটি নিয়ে সন্ধ্যায় বের হই। পরবর্তীতে ফুয়াদ তাকে এখানে নিয়ে আসে এবং এখানে থাকতে বলে। ফুয়াদ তাকে রেখে বাইরে গেলে সে ওয়াশরুমে যায় এবং এর মধ্যেই বাইরে হট্টগোল শোনা যায়। পরবর্তীতে ফুয়াদ আসলে তাদেরকে বের করে নিয়ে আসা হয়। ফুয়াদ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের উভয়ের মাঝে ভালোবাসার সম্পর্ক রয়েছে।

অভিযুক্ত ফুয়াদ বলেন, ঐ মেয়েটি ছাত্রবাসে তার জরুরী প্রয়োজন সারতে আসে। তখন আমি মেসের বাহিরে ছিলাম। তবে মেসের শিক্ষার্থীরা ঐ মেয়েটিকে আমার সাথে থাকার অভিযোগে ধরে। তিনি আরো বলেন, আমি ওই রুমের ভিতরে ঢুকেছিলাম। চাবিটা রুমের পাশেই রাখা ছিল। আর এই রুমে মার্কেটিং বিভাগের আল-আমিন ভাই  ও ছাত্রদলের আনোয়ার পারভেজ ভাই থাকেন। আমি আগে থেকেই এখানে যাতায়াত করতাম।

মেসের শিক্ষার্থীদের দাবি, ছেলেটি তার বড় ভাই আল-আমিনের কাছ থেকে চাবিটি নিয়ে রুমের মধ্যে প্রবেশ করে। আর যে ছেলেটি এসেছিল সে আল-আমিনের জুনিয়র। তারা কোন অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে এসেছে। আমাদের মেসের সম্মান ক্ষুন্ন হয়েছে। প্রশাসনের কাছে এর বিচার চাই।

মেস মালিকের ভাই মিজানুর বলেন, আসলে অপত্যাশিত একটা ঘটনা ঘটেছে। যে ছেলেটি এ ঘটনা ঘটিয়েছে সে আসলে এই মেসের কেউ না। আমি যতটুকু জানি এখানে আল-আমিন ও পারভেজ নামে দুটি ছেলে থাকে। এই ছেলেটি এখানে কি করে এলো আমার জানা নেই।

এ বিষয়ে ইবি ছাত্রদলের যুগ্ম-আহবায়ক আনোয়ার পারভেজ বলেন, যেই রুম থেকে ছাত্রী ধরা পড়েছে ঐ রুমটা আমার না। তবে আমি ঐ রুমে বিভিন্ন সময়ে যাই, আড্ডা দেই, থাকি।

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক এস এম সুইট বলেন, আমরা ঘটনা জানতে পেরে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে গিয়ে সাময়িক সমাধান করি। প্রশাসনের সাথে আলোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহিনুজ্জামান বলেন, আমরা ঘটনা শুনেছি। আমরা ক্যাম্পাসে এসে ছাত্র উপদেষ্টাসহ অন্যান্যদের সাথে আলোচনা করে ব্যবস্থা নিবো।

সোহরাওয়ার্দী কলেজের গলার কাঁটা উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীরা

সোহরাওয়ার্দী কলেজের গলার কাঁটা উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীরা

Post Image

সোহরাওয়ার্দী কলেজ প্রতিনিধি:

রাজধানীর পুরান ঢাকায় অবস্থিত অন্যতম একটি সরকারি কলেজ শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ।

পুরান ঢাকার আশেপাশে যে সকল শিক্ষার্থীরা মাধ্যমিক পাশ করে তাদের বেশিরভাগেরই পছন্দের তালিকায় শীর্ষে অবস্থান করে এই কলেজটি। কিন্তু দিনের পর দিন উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফলের বিপর্যয়ের কারণে প্রতিষ্ঠানটির গলার কাটায় পরিণত হয়েছে উচ্চ মাধ্যমিক পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা। ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ হিসেবে শিক্ষার্থীদের ক্লাসে উপস্থিত না থাকা, শিক্ষার্থীদের সচেতনতার অভাব, অবকাঠামোগত সমস্যা ও শিক্ষক সংকটকে দায়ী করছেন কলেজ প্রশাসন। মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটিতে এ বছর পাশের হার ৮০.০৯ শতাংশ এবং জিপিএ ৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৪২ জন। জিপিএ ৫ প্রাপ্তদের মধ্যে ব্যবসায় শিক্ষা থেকে ৫ জন এবং বিজ্ঞান বিভাগ থেকে সর্বোচ্চ ৩৩ জন ও মানবিক বিভাগ থেকে ৪ জন পেয়েছেন। এ বছর ২১২৫ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছেন ১৭০২ জন। অর্থাৎ অকৃতকার্য শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৪২৩ জন।

গত বছর সোহরাওয়ার্দী কলেজের পাশের হার ছিল ৮০.৪৪ শতাংশ এবং জিপিএ ৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল মাত্র ৮ জন। অকৃতকার্য শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৪০৬ জন ২০২২ সালের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় সোহরাওয়ার্দী কলেজের পাশের হার নেমে আসে ৮৭.৬৮ শতাংশ এ এবং জিপিএ ৫ পায় ১১৯ জন। অকৃতকার্য শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১২৪ জন।

২০২১ সালের (সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে অনুষ্ঠিত) উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাশের হার ছিল এসে ৯৬.৭৩ শতাংশ এবং জিপিএ ৫ পায় ৯৫ জন। এবছরও অকৃতকার্য শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১০১ জন।

এ বিষয়ে জানতে কলেজটির উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ফরিদা ইয়াসমিনের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, উচ্চ মাধ্যমিকে পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা পারিবারিক ও জীবন জীবিকা নির্বাহের কারণে বেশিরভাগই ক্লাসে উপস্থিত থাকতে পারে না। সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের একাধিকবার দায়িত্ব দিয়েও শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরাতে পারেননি। ক্লাসে শিক্ষক পরিবর্তন, শিক্ষার্থীদের আনুপাতিক হারে শিক্ষকদের দায়িত্ব ভাগ করে মনিটরিংসহ একাধিক ব্যবস্থা গ্রহণ করলেও আশানুরূপ সাফল্য আসেনি। উচ্চ মাধ্যমিকের আশানুরূপ ফলাফল পেতে শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরার বিকল্প নেই।

শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরাতে কলেজকে আকর্ষণীয় করতে বিভিন্ন ইনডোর গেমসের ব্যবস্থা করা, নির্ধারণ রুটিন ব্যবহার করে ইন্টারমিডিয়েটের ক্লাসগুলো চলমান অবস্থায় স্নাতকের ক্লাসগুলো বন্ধ রাখাসহ একাধিক পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

এ বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কাকলী মুখোপাধ্যায় জানান, আমাদের কলেজে যারা ভর্তি হয় তাদের বেশিরভাগই মাধ্যমিকের ফলাফল থাকে মাঝামাঝি ধরনের। সেক্ষেত্রে একটি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হন এখানকার শিক্ষকেরা। তিনি ফলাফল বিপর্যয়ের পেছনে অবকাঠামোগত সমস্যা, ক্লাসরুম সংকট, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক সংকটকেও দায়ী করেছেন।

তিনি বলেন, এই প্রতিষ্ঠানের নতুন অধ্যক্ষ হিসেবে আজ থেকেই আমার দায়িত্ব শুরু হল। আমি এই প্রতিষ্ঠানের ফলাফলের আশানুরূপ মানোন্নয়নের ব্যাপারে কাজ শুরু করবো। এবং এ ব্যাপারে এ প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষকের আন্তরিক সহায়তা একান্ত কাম্য।

বিদেশি শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের দায়ে বাকৃবি অধ্যাপক সাময়িক বরখাস্ত

বিদেশি শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের দায়ে বাকৃবি অধ্যাপক সাময়িক বরখাস্ত

Post Image

বাকৃবি প্রতিনিধি: মালয়েশিয়ান শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের ঘটনায় অভিযুক্ত কৃষি অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. হারুণ-অর-রশিদকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) প্রশাসন।

বুধবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, 'সোমবার বিকেলে অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের এক জরুরি সিন্ডিকেট সভায় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন ও সুপারিশের প্রেক্ষিতে অধ্যাপক ড. মো. হারুণ-অর-রশিদকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ইতিমধ্যে অধ্যাপক ড. মো. হারুণ-অর-রশিদকে শোকজ বা আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য ১০ দিনের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।'

ওই বিচারের পাশাপাশি বিগত বছরের যৌন হয়রানির বিষয়গুলো খতিয়ে দেখার জন্য সিন্ডিকেটে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এদিকে সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের লিগাল এইড উপ-পরিষদ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনসহ  বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। এছাড়া বাংলাদেশে মালয়েশিয়ান দূতাবাস তদন্তের ফলাফল জানতে চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে চিঠি পাঠিয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২৫ সেপ্টেম্বর ড. হারুণ এর বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অনুষদে অধ্যয়নরত মালয়েশিয়ান এক নারী শিক্ষার্থী। অভিযোগের প্রেক্ষিতে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটির কাজ চলাকালীন বিভিন্ন সময় ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

ছাত্র রাজনীতিতে সরব হওয়ার চেষ্টা নোবিপ্রবি ছাত্রদলের, সজাগ শিক্ষার্থীরা

ছাত্র রাজনীতিতে সরব হওয়ার চেষ্টা নোবিপ্রবি ছাত্রদলের, সজাগ শিক্ষার্থীরা

Post Image

মোঃ শফিউল্লাহ, নোবিপ্রবি প্রতিনিধি:

সম্প্রতি নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) ছাত্রদলের ব্যানারে কার্যক্রম পরিচালনা করা এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজেদের দলীয় কার্যক্রম প্রচার করায় শিক্ষার্থীদের সমালোচনার মুখে পড়েছে নোবিপ্রবি ছাত্রদল।

এর‌ আগেই প্রশাসন থেকে প্রকাশে ও অপ্রকাশ্যে সকল‌ ধরনের ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয়েছিলো। গত ১৩ অক্টোবর "নোবিপ্রবি ছাত্রদল" এবং "নোবিপ্রবি ছাত্রদল অফিসিয়াল" এই দুইটি ফেসবুক পেজে ছাত্রদলের সাম্প্রতিক কার্যক্রম নিয়ে করা পোস্টগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গ্রুপগুলোতে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনা শুরু হয়।

ছাত্রদলের পেজ থেকে করা পোস্টে দেখা যায়, গত ৭ অক্টোবর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের হাতে নির্যাতনে নিহত শহীদ আবরার ফাহাদের ৫ম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে নোয়াখালী শহর মাইজদী এবং ক্যাম্পাসের বাহিরে নোবিপ্রবি ছাত্রদলের ব্যানারে মিছিল ও স্মরণ সভা করে। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে আড্ডা এবং শোডাউনের পোস্ট দিতেও দেখা যায়। ক্যাম্পাসে রাজনীতি নিষিদ্ধ সত্ত্বেও এমন সব রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করে শিক্ষার্থীরা।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নোবিপ্রবির সমন্বয়ক জাহিদুল ইসলাম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব গ্রুপে বলেন, ছাত্রদল রীতিমতো ক্যাম্পাসে শোডাউন দিচ্ছে। মাইজদী শহীদ মিনারের সামনে আর ভার্সিটির গেটের বাহিরে ব্যানার নিয়ে কর্মসূচি পালন করতেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে আর শহীদ মিনারের সামনে ছবি তুলতেছে। একজন তো স্ট্যাটাস'ই দিলো " ক্যাম্পাসের নিয়মিত আড্ডায়"। একটা ছবিতে দেখলাম রীতিমতো হলের গেস্ট রুমে বসে আছে। তাইলে আপনারা রাজনীতির আর কি বাকি রাখলেন?

যারা রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে তাদেরকে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়ে এই শিক্ষার্থী বলেন, ক্যাম্পাসে রাজনীতি নিষিদ্ধ হওয়া সত্বেও নোবিপ্রবির নামকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক এক্টিভিটি চালানো এইটা বিশ্ববিদ্যালয় চলমান আইনকে লঙ্ঘন করা। নোটিশে উল্লেখ ছিলো, যারা এই আইনকে লঙ্ঘন করবে তাদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নিবে প্রশাসন। এবার দেখার পালা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন কথা এবং কাজে কতটা বদ্ধপরিকর।

হুমাইরা তাসনীম নেহা নামের আরেক শিক্ষার্থী লিখেন, রাজনীতি সবার ব্যাক্তিগত অধিকার, কিন্তু রাজনীতি ক্যাম্পাসে না। রাজনীতি করলে ক্যাম্পাসের ১০১ একরের বাহিরে করবে। কোনো পোস্টার ব্যানারে নোবিপ্রবির নামে রাজনীতি করা যাবে না। ১০১ একরের বাহিরের যা ইচ্ছা সে ব্যানারের রাজনীতি করুক কোনো মাথা ব্যাথা নাই আমাদের। দরকার হলে লিখুক "বাংলাদেশ ছাত্রদল, সেলিম মামার টং দোকান শাখা"। কিন্তু নোবিপ্রবির ব্যানারো কোনো রাজনীতি চলবে না।

মুকতার এলাহি নামের আইসিই বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী হুশিয়ারি দিয়ে লিখেন, জুলাই বিপ্লবের ৯দফা দাবির ১দফা ছিলো ক্যাম্পাসে সকল ধরনের দলীয় লেজুড়বৃত্তিক ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে। বিপ্লব পরবর্তী সময়ে ভার্সিটির রিজেন্ট বোর্ড কর্তৃক ক্যাম্পাসে সকল ধরনের দলীয় রাজনীতি নিষিদ্ধ করাও হয়েছে। এখন ইনিয়েবিনিয়ে কেউ যদি ক্যাম্পাসে দলীয় পলিটিক্স ঢুকিয়ে বিপ্লবের স্পিরিট নষ্ট করার সাহস দেখায় বা প্রশাসনিক আইন ভঙ্গ করতে চায় তাকে কঠোরভাবে প্রতিহত করতে হবে।

এমন সব সমালোচনার মুখে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক নূর হোসেন বাবু বলেন, রাজনীতি করা প্রত্যেক মানুষের সাংবিধানিক অধিকার। সেই জায়গা থেকে আমরা রাজনীতি করে যাবো। সাধারণ ছাত্ররা যেন নির্যাতিত না হয় এবং তাদের অধিকার নিশ্চিতের লক্ষে ছাত্রদল কাজ করে যাবে। আমরা চাই নোবিপ্রবি বিগত সময়ে আওয়ামী শাসনামলে তৈরি হওয়া রিজেন্ট বোর্ড কর্তৃক রাজনীতি নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন বাতিল করবে।

নোবিপ্রবি ছাত্রদলের সদস্য সচিব শাহারাজ উদ্দিন জিহান বলেন, আওয়ামীলীগের দোসরদের দ্বারা গঠিত রিজেন্ট বোর্ডের মাধ্যমে হওয়া প্রজ্ঞাপন দিয়ে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তারা ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করেছে যে এটা কার সাথে আলোচনা করে করেছে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে দাবি দিবো ক্যাম্পাসে সুষ্ঠু ধারায় ছাত্র রাজনীতির বৈধতা দিতে হবে। ছাত্রদলের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে এই নেতা বলেন, আমরা কাজ করে যাবো তবে এমন কোনো কাজ করবো না যেটা সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য ক্ষতিকর। আমরা আদর্শিক রাজনীতি করবো কাউকে শক্তি প্রয়োগ করা হবে না। আমাদের আদর্শ পছন্দ হলে আসবে আর না হলে নাই।

বিভিন্ন সময়ে ছাত্রদলের ব্যানারে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া জাহিদুল ইসলাম বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ছাত্রদলের ভূমিকা ছিলো অনেক। আমাদের অনেক নেতা কর্মী শহীদ হয়েছে। সেই যায়গা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে গণতান্ত্রিক ছাত্ররাজনীতির চর্চা করার অধিকার আমাদের রয়েছে। ছাত্রদল যদি কোনো খারাপ কাজ করে তাহলে শিক্ষার্থীরা তা চোখে আঙুল দিয়ে ধরিয়ে দিক। শিক্ষার্থীদের সমালোচনাকে আমরা সাধুবাদ জানাই৷ বিশ্ববিদ্যালয় একটি মুক্ত বুদ্ধি চর্চার জায়গা, এখানে রাজনীতি চর্চা করার অধিকার সবার আছে।

রাজনীতি নিষিদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর এ এফ এম আরিফুর রহমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র-শিক্ষক রাজনীতিসহ সকল ধরণের রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কেউ যদি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম এবং ব্যানার ব্যবহার করে রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করে তাহলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই বিষয়ে নোবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইসমাইল বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ রক্ষায় ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে যারা আইন অমান্য করবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রাজনীতি চালুর করার বিষয়েও আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনো রাজনৈতিক বডির সাথে বসবো না। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যদি দাবি নিয়ে আসে তখন সেটা আমরা বিবেচনা করবো।

উপাচার্যের খাস কামরায় ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে শিক্ষকের স্টাটাসের স্ক্রিনশট

উপাচার্যের খাস কামরায় ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে শিক্ষকের স্টাটাসের স্ক্রিনশট

Post Image

মিরাজ হোসেন বশেফমুবিপ্রবি প্রতিনিধি:

উপাচার্যের খাস কামরায় ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে শিক্ষকের স্টাটাসের স্ক্রিনশট 'আমার ছাত্র মরলো কেনো? জবাব চাই, বিচার চাই...' — নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে ছাত্রহত্যার ঘটনায় বিচার চেয়ে এই পোস্টটি করেছিলেন জামালপুরের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. সাইফুল ইসলাম।



আর এতেই যেন গা চমচমিয়ে উঠলো পদত্যাগী স্বৈরাচার সরকারের সময় এ বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ ছাত্রলীগ শাখার নেতাদের। তারা পোস্টদাতা সাইফুল ইসলামসহ যারা কমেন্ট করেছেন তাদের সেইসব পোস্টের স্ক্রিনশট প্রিন্ট করে জমা দিয়েছেন পদত্যাগী উপাচার্য মো. কামরুল আলম খানের কাছে। শুধু সাইফুল ইসলাম-ই নন, আরও সাবেক ট্রেজারার, কয়েকজন শিক্ষকের স্ট্যাটাস ও কমেন্টের স্ক্রিনশট জমা দিয়েছেন তারা।

ক্যাম্পাস সূত্র জানায়, গত জুলাই মাসে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারকে কেন্দ্রে করে শুরু হয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। এতে শত শত ছাত্র-জনতা নিহত হতে থাকলে তা রূপ নেয় সরকার পতনের গণঅভ্যুত্থানে। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মতো এ বিশ্ববিদ্যালয়েরও কিছু শিক্ষক আন্দোলনের যৌক্তিকতা তুলে ধরে এর পক্ষে ফেসবুকে পোস্ট করেন। এসব ঘটনায় নজরদারি বা বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্দেশ্যে সাবেক উপাচার্যের কাছে এসব জমা দেওয়া হয়। যা উপাচার্য চলে যাওয়ার পর তার কক্ষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতে গিয়ে তা পাওয়া যায়। তবে কে বা কারা এসব স্ক্রিনশট জমা দিয়েছেন তা জানা যায়নি।

খামেভর্তি ১০ পাতার প্রিন্ট করা পোস্ট ও কমেন্টের বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, বেশির ভাগ পোস্টই সাইফুল ইসলামের। হাত উঁচু করে লাল কার্ড দেখানো একটি ছবি সংযুক্ত করে আরেকটি পোস্টে তিনি লেখেন, 'ছাত্র-জনতা মুক্তি পাক, খুনীরা সব নিপাত যাক।' এছাড়াও অন্যান্য পোস্টগুলোতেও আন্দোলনের পক্ষে তার স্পষ্ট অবস্থান ফুটে ওঠে।

ফিশারিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সৈয়দ আরিফুল হকের স্ট্যাটাস শেয়ারের কপিও আছে। পোস্টগুলোর মধ্যে একটি পোস্টে কোরআনের আয়াত এবং আরেকটিতে শহিদ আবু সাঈদের মৃত্যুর শোক প্রকাশ করে লেখেন, 'আমরা শিক্ষকরা, যারা ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে অভিভাবক হিসেবে পরিচিত সে শিক্ষকরাই যখন নিজ ক্যম্পাসে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ, সে আবার কিসের অভিভাবক। এ লজ্জা আমাদের, মেরুদণ্ডহীন শিক্ষকদের। আমি শিক্ষক হিসেবে বাকরুদ্ধ, লজ্জিত,ব্যথিত।'

এছাড়া কমেন্টে সমাজকর্মবিভাগের শিক্ষক ড. আল মামুন সরকার ও ট্রেজারার মোহাম্মদ আবদুল মাননানের নাম হাইলাইটার পেন দিয়ে মার্ক করা রয়েছে। এতে কিছু শিক্ষার্থীর কমেন্টও দেখা যায়। তারা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী শাকিল আহমেদ, বর্তমান শিক্ষার্থী তাবাসসুম রাফি ও মামুনুর রশিদসহ আরও বেশ কয়েকজন।

ক্যাম্পাস সংশ্লিষ্টদের ধারণা, ৪ আগস্ট ছিলো অভ্যুত্থানের আগে সর্বশেষ কর্মদিবস। ওইদিনই এসব স্ক্রিনশট উপাচার্যের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। স্ক্রিনশট অনুযায়ী, সাইফুল ইসলামের সর্বশেষ স্ট্যাটাস ৩ আগস্ট দেওয়া। যা পোস্ট করার ১৯ ঘণ্টা স্ক্রিনশট নেওয়া হয়েছে। অন্যান্য স্ক্রিনশটগুলোতেও দেখা যায়, বেশিরভাগ পোস্ট করা হয়েছে ৩ আগস্ট বা তারও আগে।

ক্যাম্পাস সূত্র জানায়, ৪ আগস্ট ছিলো রোববার। ওইদিন সকালে উপাচার্য ঢাকা থেকে ক্যাম্পাসে আসেন। এরপর থেকে তার কক্ষে সদ্য পদত্যাগী ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর এসএম ইউসুফ আলী, মির্জা আজম হলের ভারপ্রাপ্ত প্রভোস্ট পার্থ সারথি দাশ, ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কাওসার আহমেদ স্বাধীন, যুগ্ম আহ্বায়ক তাইফুল ইসলাম পলাশসহ কয়েকজন শিক্ষক ও কর্মকর্তা উপাচার্যের কাছে বসেছিলেন। আর কক্ষটি ৫ আগস্টের পর ২৯ সেপ্টেম্বর খোলা হয় । এরপরই মূলত এসব স্ক্রিনশট পাওয়া গেছে। আন্দোলন চলাকালে ছাত্রলীগ সাধারণ শিক্ষার্থীদের নানাভাবে হয়রানি করেছে। অনেক কর্মকর্তা ও কর্মচারীর মোবাইল চেক করেছে। আর এসব কাজে সহায়তা দিয়ে গেছেন পদত্যাগী উপাচার্য, ভারপ্রাপ্ত প্রক্টরসহ প্রশাসনের অনেক শিক্ষক ও কর্মকর্তা।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জানান, উর্ধ্বতনরা নির্দেশ দিয়েছেন, সরকার যেকোনো সময় উপাচার্য নিয়োগ দিতে পারে। তাই কক্ষটি নতুন উপাচার্যের ব্যবহারের উপযোগী করতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে রাখতে। এছাড়া সদ্য পদত্যাগ করা উপাচার্যের ব্যক্তিগত কিছু জিনিসপত্র ছিল। তাও ফেরত পাটাতে বলা হয়। আর এসব গোছাতে গিয়ে উপাচার্যের খাস কামরায় কয়েকটি খাম পাওয়া যায়। এর বেশিরভাগই নষ্ট কাগজপত্র। সেখানে পাওয়া একটি খাম খুললে একজন শিক্ষকদের ফেসবুক পোস্ট ও কমেন্টের স্ক্রিনশট প্রিন্ট করে মার্কার দিয়ে মার্ক করা দেখতে পাওয়া যায়। তখন বিষয়টি অফিসের ঊর্ধ্বতনদের জানানো হয়।
তবে এ বিষয় যোগাযোগ করা হলে সদ্য পদত্যাগ করা উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো: কামরুল আলম খানের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

এদিকে সরকার গত ২৫ সেপ্টেম্বর ফিশারিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. সাইফুল ইসলামকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক, প্রশাসনিক ও একাডেমিক দায়িত্বে নিয়োজিত করেছে সরকার। এ বিষয়ে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, গত ৮ অক্টোবর উপাচার্যের কক্ষ পরিষ্কার করার সময় একটি খাম পাওয়া যায়। খামটিতে জুলাই-আগস্ট মাসে ছাত্র আন্দোলন নিয়ে শিক্ষকদের করা কয়েকটি পোস্টের স্ক্রিনশট পাওয়া যায়। সেগুলোতে শিক্ষকদের নাম হাইলাইট করা।

'ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বর্হিঃপ্রকাশ। দাবিটি ছিলো যৌক্তিক। শিক্ষক হিসেবে ছাত্রদের পক্ষে অবস্থান নেওয়াও স্বাভাবিক। তাছাড়া এটি মতপ্রকাশের অধিকারও বটে। কিন্তু গোপনে এ ধরনের নজরদারি কিংবা অভিযোগ খুবই অনিভিপ্রেত।'

তিনি করেন, কোনো ধরনের ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যেই এই হীন কাজটি কেউ না কেউ করেছে। এই আন্দোলন সফল না হলে যেমন অনেক শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন চালিয়ে নেওয়া সম্ভব হতো না এবং তেমনই যেসব শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী অনলাইন বা অফলাইনে আন্দোলনে সমর্থন দিয়েছে তাদেরও হয়রানির মধ্যে পড়তে হতো। আমরা মনে করি- এর প্রক্রিয়া হিসেবেই এসব করা হয়েছ।

নিয়মিত উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হলে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হবে বলেও জানান মো. সাইফুল ইসলাম।

প্রথমবারের মতো পবিপ্রবির এ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি ডিসিপ্লিনের বিদেশে ইন্টার্নশিপ

প্রথমবারের মতো পবিপ্রবির এ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি ডিসিপ্লিনের বিদেশে ইন্টার্নশিপ

Post Image

পবিপ্রবি সংবাদদাতা:

পবিপ্রবির এ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি ডিসিপ্লিন থেকে প্রথমবারের মতো ইন্টার্নশিপের অংশ হিসেবে ২০১৮-১৯ সেশনের একাংশ বিদেশে রওনা হয়েছে।

তারা থাইল্যান্ডের সুরানারী ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজিতে ইন্টার্নশিপের সুযোগ পেয়েছেন। এ্যানিমেল হাজবেন্ড্রীর ৮ম ব্যাচ দিয়ে বিদেশে প্রথমবারের মতো ইন্টার্নশিপের সুযোগ পেলেন তারা। উল্লেখ্য, এএনএসভিএম অনুষদের আরেক ডিসিপ্লিন ডিভিএমের ২০১৭-১৮ সেশন এর আগে বিদেশে ইন্টার্নির সুযোগ পায়। শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন এর মাধ্যমে এএনএসভিএম অনুষদের সব ডিসিপ্লিন এখন থেকে বিদেশে ইন্টার্নি করতে পারবে।

বহিরাগত কর্তৃক ইবি ছাত্রী হেনস্তার শিকার

বহিরাগত কর্তৃক ইবি ছাত্রী হেনস্তার শিকার

Post Image

ইবি প্রতিনিধি: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) এক ছাত্রী বহিরাগত কর্তৃক হেনস্তার শিকার হয়েছেন।

সোমবার (১৪ অক্টোবর) রাত ৮ টার দিকে কুষ্টিয়া থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার পথে ভাড়া বাসে এ ঘটনা ঘটে। পরে ইবি থানায় মুচলেকা দিয়ে তাকে ছাড়া হয়। অভিযুক্ত ঝিনাইদহ সদর উপজেলার আরাপপুর গ্রামের মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে জুয়েল আহমেদ রাজু (৪২)। পেশায় তিনি ইজিবাইক চালক।
জানা যায়, ভুক্তভোগী ছাত্রী কুষ্টিয়া থেকে ভাড়ন বাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্দেশ্যে আসছিলেন। বাসের মধ্যে অভিযুক্ত রাজু তাকে বিভিন্ন ভাবে হেনস্তা করেন। এসময় ঐ ছাত্রীর কাছে টিকিট দেখতে চান রাজু। ভুক্তভোগী টিকিট দেখাতে অস্বীকৃতি জানালে রাজু তাকে হিজাব খোলার জোর করেন। তার হাত ধরে টানাটানিসহ নানাভাবে হেনস্তা করেন। পরে বাস থেকে নেমে তার বন্ধুদের জানালে বন্ধুরা মিলে অভিযুক্তকে ইবি থানায় হস্তান্তর করেন।
পরে অভিযুক্ত রাজুর আত্মীয় স্বজনের উপস্থিতিতে মুচলেকা নিয়ে থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

স্বল্পমূল্যে গবাদিপশুর ব্রুসেলোসিসের টিকা তৈরি করলেন বাকৃবির গবেষকদল

স্বল্পমূল্যে গবাদিপশুর ব্রুসেলোসিসের টিকা তৈরি করলেন বাকৃবির গবেষকদল

Post Image

বাকৃবি প্রতিনিধি: গবাদিপশুর গুরুত্বপূর্ন রোগ ব্রুসেলোসিসের ভ্যাকসিন তৈরি করলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ভেটেরিনারি অনুষদের মাইক্রোবায়োলজি এন্ড হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আরিফুল ইসলাম, একই বিভাগের অধ্যাপক ড. মোছা. মিনারা খাতুন, গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের পোল্ট্রি বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মো. জামিনুর রহমানসহ বাকৃবির স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থীরা।

বাংলাদেশ একাডেমি অফ সাইন্সেস - ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট অফ এগ্রিকালচার ( বিএএস - ইউএসডিএ) এর অর্থায়নে গবেষণাটি সম্পন্ন হয়েছে। ২০২০-২৩ সাল পর্যন্ত এই গবেষণাটি করা হয়।

ব্রুসেলোসিস রোগ নিয়ে অধ্যাপক ড. মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, ব্রুসেলোসিসে আক্রান্ত গরু, ছাগল, ভেড়া যদি গর্ভধারণ করে তখন তাদের গর্ভপাত হতে পারে। গর্ভাবস্থায় থাকাকালীন ৬ মাস পর সাধারণত গর্ভপাতটি হয়ে থাকে। ফলে খামারি একইসাথে বাছুরটি ও হারায় এবং গাভীর দুধের উৎপাদনও কমে যায়। অর্থাৎ খামারে বড় ধরনের অর্থনৈতিক ক্ষতি সাধিত হয়। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটেও ব্রুসেলোসিস অতীব গুরুত্বপূর্ণ একটি রোগ, যা ব্রুসেলা ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে হয়ে থাকে। দেশের প্রায় ৫-৬ শতাংশ গবাদিপশু এ রোগে আক্রান্ত। এতে পশু মারা না গেলেও প্রচুর অর্থনৈতিক ক্ষতি সাধিত হয়। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে জুনোটিক রোগের (প্রাণীর থেকে মানুষে ছড়ায়) ক্ষেত্রে বোভাইন যক্ষ্মার পরই ব্রুসেলোসিসের অবস্থান, যা দেশের নীতিনির্ধারক কর্তৃক স্বীকৃত। সাধারনত পশু চিকিৎসক এবং খামারিরা এ রোগে বেশি আক্রান্ত হন। অজ্ঞতাবশত মাস্ক, গ্লাভস ছাড়া ব্রুসেলোসিসে আক্রান্ত প্রাণীর বাছুর বের করতে গেলে অথবা পরিষ্কার করতে গেলে মানবদেহে রোগটি ছড়িয়ে পড়ে। মানুষ ব্রুসেলায় আক্রান্ত হলে তার কর্মক্ষমতা কমে যাওয়া সহ নানান সমস্যার দেখা দেয়।

গবেষণা নিয়ে অধ্যাপক জানান, ভ্যাকসিনের ফিল্ড ট্রায়ালের জন্য ময়মনসিংহ, গাজীপুর ও টাঙ্গাইলের প্রায় ৪০০ গাভীর দেহে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করি এবং পরবর্তীতে ওই গাভীগুলোর এন্টিবডি টেস্ট এর মাধ্যমে নির্ণয় করতে পারি ব্রুসেলোসিসের বিরুদ্ধে উদ্ভাবিত ভ্যাকসিন টি যথেষ্ট কার্যকর। প্রায় ১ বছর ভ্যাকসিনটির ফিল্ড ট্রায়াল চলে।

ভ্যাকসিন সম্পর্কে অধ্যাপক আরিফুল জানান, বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে 'ব্রুসেলা অ্যাবোরটাস’ (Brucella abortus) এর আধিক্য বেশি দেখা যায়। ব্রুসেলা অ্যাবোরটাস’র বায়োভার-৩ এর বিরুদ্ধে উদ্ভাবিত ভ্যাকসিনটি সবচেয়ে বেশি কার্যকর। তবে অন্যান্য বায়োভারের বিরুদ্ধেও ইহা প্রতিরক্ষা দিবে অ্যান্টিজেনিক মিল থাকার কল্যাণে। আমাদের উদ্ভাবিত ভ্যাকসিনটি মৃত ভ্যাকসিনের অন্তর্গত। প্রতি ছয়মাস অন্তর অন্তর ভ্যাকসিনটির বুস্টার ডোজ দিতে হবে।

ভ্যাকসিনটির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এবং ধরন সম্পর্কে জানতে চাইলে অধ্যাপক আরিফুল জানান, ভ্যাকসিন সাধারণত দুইধরণের হয় যেমন: জীবিত ভ্যাকসিন, মৃত ভ্যাকসিন। জীবিত ভ্যাকসিনে অনুজীবটি জীবিত ও দুর্বল থাকে কিন্তু মৃত ভ্যাকসিনে অণুজীবটি মৃত থাকে কিন্তু এন্টিবডি বিদ্যমান থাকে। জীবিত ভ্যাকসিনের অসংখ্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে, যেমন: ভ্যাকসিন দেয়ার সময় ইনজেকশনের সুঁচ ঠিকমতো না ফুটলে ওই জীবিত ব্যাকটেরিয়া মানুষ ও অন্য পশুর সংস্পর্শে এসে রোগ সৃষ্টি করতে পারে, গর্ভপাত করতে পারে, জীবিত ভ্যাকসিন সংরক্ষণের জন্য কোল্ড চেইন দরকার পরে এজন্যই আমরা মৃত ভ্যাকসিন নিয়েছি। আমাদের তৈরি ভ্যাকসিনের কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া পাওয়া যায় নি।

পরিশেষে অধ্যাপক ড. মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, ভ্যাকসিনের ফর্মুলা তৈরি আছে তবে বাণিজ্যিক ভাবে উৎপাদন করা হয়নি। তবে পর্যাপ্ত ফান্ডিং এবং সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে হয়তো এর বাণিজ্যিক উৎপাদন সম্ভব। এছাড়াও কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যদি চায় তাহলে আমরা ভ্যাকসিনটি তৈরি করে তাদের সরবরাহ করতে পারবো। ভ্যাকসিনটির জন্য গবাদিপশু প্রতি খরচ পড়বে মাত্র ৫০ থেকে ১০০ টাকা। বুস্টার ডোজের জন্যও একই খরচ পড়বে। উৎপাদন খরচ, সস্তা কাঁচামাল ও প্রযুক্তিগত বিষয়ে খরচ কম হওয়ায় এতো অল্প মূল্যে ভ্যাকসিনটি সরবরাহ করা সম্ভব হয়েছে।

উল্লেখ্য, অধ্যাপক ড. মো. আরিফুল হক ও তার গবেষকদল ২০১৬ সালে দেশে সর্বপ্রথম গবাদিপশুর দেহে ব্রুসেলার উপস্থিতি নির্ণয় করেছিলো।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে হতাশ অধিকাংশ শিক্ষার্থীরা-যা বলছে জরিপ

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে হতাশ অধিকাংশ শিক্ষার্থীরা-যা বলছে জরিপ

Post Image

ববি প্রতিনিধি: বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) সার্বিক দিক নিয়ে হতাশ বিশ্ববিদ্যালয়টির অধিকাংশ শিক্ষার্থীরা।

তাদের দাবি বিশ্ববিদ্যালয় পূরণ করতে পারছে না তাদের প্রত্যাশার জায়গা। সম্প্রতি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ অ্যান্ড হায়ার এডুকেশন সোসাইটি কর্তৃক পরিচালিত একটি জরিপে এমন তথ্যই উঠে এসেছে। চলতি বছরের গত ১ অক্টোবর থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত ববি শিক্ষার্থীদের মধ্যে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সমসাময়িক বিভিন্ন সংকট নিয়ে শিক্ষার্থীদের অভিমত’-শীর্ষক একটি গবেষণা জরিপ পরিচালনা করেন সংগঠনটি। জরিপটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ষষ্ঠ ব্যাচ থেকে শুরু করে দ্বাদশ ব্যাচ পর্যন্ত মোট ৫০০ শিক্ষার্থী অংশ নেয়।

জরিপটিতে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে জানতে চাওয়া হলে সেগুলোর প্রায় সবকটিতেই নেতিবাচক ফলাফল পেয়েছেন জরিপ করা সংগঠনটি। যার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক দিক নিয়ে শিক্ষার্থীদের হতাশার দিকটি ফুটে উঠেছে। জরিপটিতে শিক্ষা ও গবেষণার মান ও সুযোগ সুবিধা, শিক্ষকদের সাথে শিক্ষার্থীদের সুসম্পর্ক, লাইব্রেরির সুযোগ সুবিধা, শ্রেণীকক্ষ, আবাসন ব্যবস্থা, ইন্টারনেট পরিসেবা, ক্যাম্পাসে চিকিৎসা সেবা,পরিবহন ব্যবস্থা ও ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রতুলতা ও মান নিয়ে জানতে চাওয়ার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ে মানসিক স্বাস্থ্য সেবার প্রয়োজনীয়তা সহ আরো নানান দিক নিয়ে শিক্ষার্থীদের কাছে জানতে চাওয়া হয়। জরিপটিতে বিভিন্ন ক্যাটাগরীতে ২৩ টি বিষয়ে মতামত চাওয়া হয় শিক্ষার্থীদের।

যার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের মান ও প্রদত্ত সুযোগ-সুবিধা সংশ্লিষ্ট জরিপের প্রশ্নগুলোর প্রায় সবকটিতেই নেতিবাচক ফলাফল এসেছে বলে জানিয়েছেন জরিপকারী সংগঠনটি। জরিপে অংশ নেয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে থেকে অধিকাংশ শিক্ষার্থীরাই( ৫০% এরও বেশি) এইসব বিষয়ে নেতিবাচক মত প্রকাশ করেন অর্থাৎ তারা সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের এ বিষয়গুলো নিয়ে হতাশ ও অসন্তুষ্ট।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি প্রত্যাশা ও হতাশা নিয়ে কথা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী তাসমিয়া তাবাসসুম তিশা'র। তিনি বলেন, সময়ের সাথে সাথে বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে আশার জায়গাটি যেমন বড় হচ্ছে একইভাবে হতাশাও বাড়ছে সমানুপাতিকহারে।সেশনজট, প্রশাসনের উদাসীনতা, শিক্ষা ও অবকাঠামোর অভাব সহ নানা ধরনের সমস্যায় জর্জরিত এ বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হওয়ার ১৩ বছর পরেও এখনো কাটেনি ভবনের সংকট। ফলে বিঘ্নিত হচ্ছে সঠিক শিক্ষা পরিবেশ। এছাড়া বিভিন্ন বিভাগের সেশন জটের প্রভাব শিক্ষার্থীদের অন্যতম হতাশার কারন। নাম মাত্র কয়েকটি বিভাগ এগিয়ে থাকলেও সেশন জটের ফাঁদে আটকে আছে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ বিভাগ যা শিক্ষার্থীদের উপর বিভিন্ন ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ ও হতাশার সৃষ্টি করছে এবং তাদের মানসিক স্বাস্থ্যকে প্রভাবিত করছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের আরেক শিক্ষার্থী আব্দুল কাইয়ুম বলেন, আমরা যখন কলেজের গন্ডি পেরিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে আসি তখন এক বুক স্বপ্ন প্রত্যাশা থাকে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় এসে তা গুড়ে বালিতে পরিণত হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নানানমুখী সংকটে। বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে আমাদের যে প্রত্যাশা তার প্রতিফলন ঘটেনা বাস্তবে। শিক্ষার মান পরিবেশ সুযোগ সুবিধাসহ নানাবিধ সংকটে নিমজ্জিত হয়ে স্রোতের সাথে তাল মিলিয়ে চলে যেতে হয়। আমাদের মেধা ও মননের আশানুরূপ পরিস্ফুটন আর ঘটে না। সময় যাচ্ছে কিন্তু সংকট যেন কাটছেই না আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের। যার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর শিক্ষার্থীদের হতাশা দিনে দিনে বেড়েই চলছে।

জরিপটির বিষয়ে কথা হয় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ অ্যান্ড হায়ার এডুকেশন সোসাইটির সহ-সভাপতি হাসিবুল হাসানের। তিনি বলেন, ক্যাম্পাসের সার্বিক দিকগুলো তুলে ধরার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে যাতে অবহিত করা যায় সেই আকাঙ্খা থেকেই জরিপটি করা। আমাদের উদ্দেশ্য ছিল প্রকৃতপক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে শিক্ষার্থীদের যে মনোভাব তা বের করা আনা ও তুলে ধরা। তবে দুঃখজনক ব্যাপার হলো প্রায় সবগুলোতেই আমরা নেতিবাচক ফলাফল পেয়েছি,যা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে শিক্ষার্থীদের হতাশার বহিঃপ্রকাশ।

এছাড়াও জরিপকারী সংগঠন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ অ্যান্ড হায়ার এডুকেশন সোসাইটির সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা এই জরিপটির মাধ্যমে প্রাপ্য ফলাফল, বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে শিক্ষার্থীদের আশা-হতাশার জায়গাটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিকট তুলে ধরেছেন। যাতে বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে শিক্ষার্থীদের এই হতাশা এবং সংকটের জায়গা গুলো নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কাজ করতে পারে। তারা আরো জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড.শুচিতা শরমিন তাদের জরিপের ফলাফল নিয়ে তৈরী করা রিপোর্টি গ্রহন করে তাদেরকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এবং সংকট গুলো নিয়ে কাজ করার আশা ব্যক্ত করেছেন।

ইবি ক্যাপে’র সভাপতি নুরুল, সম্পাদক মিন্টু

ইবি ক্যাপে’র সভাপতি নুরুল, সম্পাদক মিন্টু

Post Image

ইবি প্রতিনিধি: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ক্যান্সার অ্যাওয়ারনেস প্রোগ্রাম (ক্যাপ) এর নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এতে সভাপতি হিসেবে ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের নুরুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ফোকলোর স্টাডিজ বিভাগের মিন্টু হাসান মনোনীত হয়েছেন। সোমবার (১৪ অক্টোবর) সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রিয়াদুস সালেহীন এবং সাধারণ সম্পাদক মোছা: রাবেয়া খাতুনের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

নবনির্বাচিত সভাপতি নুরুল ইসলাম বলেন, স্তন ক্যান্সার ও জরায়ুমুখ ক্যান্সারের ভয়াবহতা দিন দিন বেড়েই চলেছে শুধুমাত্র অসচেতনতার অভাবে। আর ক্যাপ সেই সচেতনতার কাজটিই করে যাচ্ছে বিভিন্ন উঠান বৈঠক, স্কুল-কলেজ প্রোগ্রাম, গোলাপী সড়ক শোভাযাত্রা এবং লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে। সকলের দোয়া ও ভালোবাসায় আমরা নতুন বাংলাদেশে নতুনভাবে বৃহৎ পরিসরে ক্যাপের সচেতনতার বানী ছড়িয়ে দিতে চাই প্রত্যন্ত গ্রাম অঞ্চলে মা বোনদের কাছে।

উল্লেখ্য, নারীদের ক্যানসার সচেতনতা সৃষ্টিকারী সংগঠন ‘ক্যাপ’ ২০১৫ সালে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (কুষ্টিয়া) থেকে যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে দেশের ৫টি অঞ্চলে স্তন ক্যানসার এবং জরায়ু মুখের ক্যানসার নিয়ে কাজ করে এই সংগঠনটি।

অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে বেরোবি রেজিস্ট্রারের পদত্যাগ

অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে বেরোবি রেজিস্ট্রারের পদত্যাগ

Post Image

হেলাল মিয়া, বেরোবি প্রতিনিধি: রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. আলমগীর চৌধুরী শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে রেজিস্ট্রারের পদ থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন।

সোমবার (১৪ অক্টোবর) উপাচার্য বরাবর এক চিঠি প্রদানের মাধ্যমে রেজিস্ট্রারের পদ থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন।

মূলত রেজিস্ট্রার পদটি চুক্তিভিত্তিক চাকুরি। আগামী বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি তার চুক্তিভিত্তিক মেয়াদের সময়সীমা শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তিনি নির্ধারিত সময়ের আগেই শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদ থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন।

উপাচার্য বরাবর প্রদানকৃত চিঠিপত্রে প্রকৌশলী মো. আলমগীর চৌধুরী লিখেন, আমার চুক্তিভিত্তিক চাকুরীর মেয়াদ ২০২৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি শেষ হয়ে যাবে। আমার শারীরিক অসুস্থতার কারণে ১৪ অক্টোবরের ২০২৪ ইং রেজিস্ট্রার পদের দায়িত্ব হতে পদত্যাগ/অব্যাহতি গ্রহণ করলাম। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার পদে দায়িত্ব পালনকালীন শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পক্ষ থেকে যে সহযোগিতা পেয়েছি তার জন্য তাদেরকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।

রংপুর বিভাগে প্রাথমিকে শ্রেষ্ঠ কর্মচারী নূরে আলম সিদ্দিকী

রংপুর বিভাগে প্রাথমিকে শ্রেষ্ঠ কর্মচারী নূরে আলম সিদ্দিকী

Post Image

মাসুদ রানা,খানসামা (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৪ এর জন্য রংপুর বিভাগের শ্রেষ্ঠ কর্মচারী নির্বাচিত হয়েছেন নূরে আলম সিদ্দিকী।

গত বুধবার (২ অক্টোবর) বিভাগীয় উপপরিচালক কার্যালয়ে বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক বাছাই কমিটি ঘোষিত ফলাফলে এ তথ্য জানা গেছে।

বিভাগীয় পর্যায়ে নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ কর্মচারী নূরে আলম সিদ্দিকী দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক। তিনি পার্শ্ববর্তী কাহারোল উপজেলার ভেলয়া গ্রামের মো. আনিসুর রহমানের ছেলে।

নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করে নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, স্বীকৃতি কাজের অনুপ্রেরণা ও দায়িত্ববোধ বাড়িয়ে দেয়। আমার ক্ষেত্রেও হয়তো ব্যতিক্রম নয়। এ স্বীকৃতি আগামী দিনগুলোতে আমাকে ভালো কাজ করতে আরও বেশি অনুপ্রাণিত করবে। তিনি আরো বলেন, আমি যেন জাতীয় পর্যায়েও আমার এ কৃতিত্ব ধরে রাখতে পারি সে জন্য সকলের কাছে দোয়া চাই।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এরশাদুল হক চৌধুরী বলেন, শ্রেষ্ঠ কর্মচারী নূরে আলম সিদ্দিকী আমাদের গর্ব। তিনি যেন দেশ সেরা হতে পারেন আমরা সকলেই এই কামনা করি।

শেরপুরে বন্যার্তদের সহযোগিতায় বশেফমুবিপ্রবির শেরপুর ছাত্র কল্যাণ সংস্থা

শেরপুরে বন্যার্তদের সহযোগিতায় বশেফমুবিপ্রবির শেরপুর ছাত্র কল্যাণ সংস্থা

Post Image

মিরাজ হোসেন, বশেফমুবিপ্রবি প্রতিনিধি: টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় শেরপুরের নালিতাবাড়ী ও ঝিনাইগাতী উপজেলার কমপক্ষে সাড়ে ছয় হাজার ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে ৮০ বস্তা ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেফমুবিপ্রবির) শেরপুর জেলা ছাত্র কল্যাণ পরিষদ। এ সময় তাঁরা শেরপুরের নকলা উপজেলার ৪ নং গৌড়দার ইউনিয়নের দতিয়াঘুরি ও ফুলপুর উপজেলার  চিকনা ,ছনদড়া এলাকায় বন্যা দুর্গতদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন। ত্রান সামগ্রী বিতরনে সার্বিক দায়িত্ব পালন করেন বশেফমুবিপ্রবির সাবেক শিক্ষার্থী ও শেরপুর জেলা ছাত্রকল্যান পরিষদের সাবেক সভাপতি কৃষিবিদ মুন্তাসির মাহমুদ এবং বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ফাহিম উদ্দিন। স্থানীয়দের মাঝে উপস্থিত ছিলেন মোজাম্মেল হক (সাবেক চেয়ারম্যান)। এছাড়াও ভলান্টিয়ার হিসাবে সহযোগিতা করেন  রাকিব হাসান, মোহাইমিনুল হক ফাহিম, রাহাত সহ প্রমুখ।

৪ অক্টোবর ভোর থেকে স্মরণকালের ভয়াবহ এক পাহাড়ি ঢল দেখেছে শেরপুরবাসী। এতে মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে হাজারো পরিবার। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মাটির ঘরে থাকা পরিবারগুলো। স্থানীয়দের দাবি, প্রতিবছর বর্ষায় দুই–তিনবার ঢলে ভাসলেও এর আগে এমন তাণ্ডবলীলা কেউ দেখেননি আগে। কোনও কিছু বুঝে ওঠার আগেই মেঘালয়ের পাহাড় থেকে নেমে আসা ঢল চারটি নদীপাড়ের মানুষের সব লন্ডভন্ড করে দেয়। গত তিন দিন বৃষ্টি না থাকায় ও উজানের পানি কমতেই ভেসে উঠছে ক্ষয়ক্ষতির চিত্র।

শেরপুর এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি মুন্তাসির মাহমুদ ডেইলি ক্যাম্পাসকে জানান, "প্রায় এক সপ্তাহ ধরে অত্র এলাকার মানুষ পানি বন্দি। পানি যত কমতেছে তাদের দুঃখ দুর্দশা বেড়েই চলছে। সেই দুঃখ দুর্দশা খানিকটা লাঘব করার জন্য আমরা বান বাসীদের জন্য অল্প উপহার নিয়ে আসছি। পরবর্তীতেও আমরা আপনাদের পাশে থাকবো।"

স্থানীয়দের মাঝে মোজাম্মেল হক (সাবেক চেয়ারম্যান) জানান, "আমি বেশ কিছু সংগঠনের ত্রাণের কাজে সহযোগিতা করতেছি। কিন্তু অত্র এলাকায় যত উপহার আসছে তার মধ্যে শেরপুর জেলা ছাত্র কল্যাণ পরিষদ, বশেফমুবিপ্রবির উপহার সামগ্রী বান বাসিদের জন্য  কার্যকরী ভূমিকা রাখবে। আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আপনারা আমার এলাকার জন্য সুদৃষ্টি রাখবেন।"

যবিপ্রবিতে মতবিনিময় সভায় সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি

যবিপ্রবিতে মতবিনিময় সভায় সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি

Post Image

যবিপ্রবি প্রতিনিধি: যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ডিন, চেয়ারম্যান ও দপ্তর প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের জন বিভাগের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি।

তিনি বলেছেন, যবিপ্রবির উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় তিনি সব সময় এ প্রতিষ্ঠানের পাশে থাকবেন। আজ শনিবার বিকেলে যবিপ্রবির প্রশাসনিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল মজিদ। তিনি মতবিনিময় সভার শুরুতে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠায় সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি ও সিনিয়র সাংবাদিক হারুন জামিলের অবদানের কথা তুলে ধরেন এবং যশোরের জেলা প্রশাসক মোঃ আজহারুল ইসলামসহ উপস্থিত সকলের সঙ্গে তাঁদের পরিচয় করিয়ে দেন। মতবিনিময় সভায় যবিপ্রবির ডিন, চেয়ারম্যানসহ দপ্তর প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।

সম্প্রতি যবিপ্রবির র‍্যাংকিংয়ে উন্নয়নের দিকে ইঙ্গিত করে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মতবিনিময় সভায় সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি বলেন, এই প্রত্যন্ত এলাকার একটা বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে ৮০১ থেকে ১০০০-এর মধ্যে রয়েছে এটি অত্যন্ত গর্বের। এটি আপনাদের ধরে রাখতে হবে এবং সেই অনুযায়ী শিক্ষা ও গবেষণা অব্যাহত রাখতে হবে। অনেকেই আপনারা এ বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও ভূমি অধিগ্রহণের কথা বলেছেন, এ বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় আপনারা সব সময় আমাকে পাশে পাবেন। তাঁকে আমন্ত্রণ জানানোয় তিনি যবিপ্রবি উপাচার্যসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সিনিয়র সাংবাদিক ঢাকা মেইলের হেড অব নিউজ হারুন জামিল বলেন, শিক্ষকদের আমি সব সময় সম্মানের চোখে দেখি। আমার পরিবারের অনেকেই শিক্ষকতা পেশার সঙ্গে যুক্ত। যে বৈপ্লবিক পরিবর্তনের মাধ্যমে আমরা বর্তমান অবস্থায় পৌঁছেছি, সেই আকাক্সক্ষার অংশীদার হয়ে আমাদের কাজ করতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল মজিদ আগত অতিথির ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, গবেষণায় এ বিশ্ববিদ্যালয় অনেক ভালো করছে। যদি শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য প্রণোদনামূলক তহবিল গঠন করা যায়, তাহলে তারা আরও গবেষণায় উৎসাহী হবে। একইসঙ্গে তিনি ১৯৫২ থেকে ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদদের রূহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং অসুস্থদের আশু রোগ মুক্তি কামনা করেন।