খানসামায় জাতীয় এইচপিভি টিকাদান ক্যাম্পেইন পূর্ব সমন্বয় সভা

খানসামায় জাতীয় এইচপিভি টিকাদান ক্যাম্পেইন পূর্ব সমন্বয় সভা

Post Image

মাসুদ রানা, খানসামা (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: ‘এক ডোজ এইচপিভি টিকা নিন, জরায়ুমুখ ক্যান্সার রুখে দিন’ স্লোগানকে প্রতিপাদ্য করে দিনাজপুর জেলার খানসামা উপজেলায় জাতীয় এইচপিভি টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৪ পূর্ব সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স (পাকেরহাট) কনফারেন্স রুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. শামসুদ্দোহা মুকুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জুনিয়র কনসালটেন্ট (গাইনি) ডা. হাসিনা বানু, মেডিকেল অফিসার লিমন চন্দ্র সেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রতন কুমার ঘোষ, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা তমিজুল ইসলাম, উপজেলা মাধ্যমিক সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা শাজাহান সরকার, উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মঞ্জুরুল হক মিয়াসহ সাংবাদিকবৃন্দ।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়োজনে সভায় মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের মাধ্যমে জরায়ু ক্যান্সার প্রতিরোধী এইচপিভি টিকার উপকারিতাসহ বিস্তারিত তুলে ধরেন মেডিকেল অফিসার ডা. আসিফ জাহান পিয়াস।

সভায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে নারীদের ক্যান্সার জনিত মৃত্যুর মধ্যে জরায়ুমুখ ক্যান্সার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। তাই জরায়ু ক্যান্সার প্রতিরোধী এইচপিভি টিকা স্বাস্থ্য সেবার এক নতুন দিগন্ত। এ টিকা বিশ্বব্যাপী পরীক্ষিত, নিরাপদ ও কার্যকর। আগামী ২৪ অক্টোবর থেকে ১৮ কর্মদিবসে ৫ম থেকে ৯ম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত ছাত্রী সহ ১০-১৪ বছর বয়সী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বহির্ভূত কিশোরীরা বিনামূল্যে এ টিকা নিতে পারবেন।

খানসামায় জাতীয় এইচপিভি টিকাদান ক্যাম্পেইন পূর্ব সমন্বয় সভা

খানসামায় জাতীয় এইচপিভি টিকাদান ক্যাম্পেইন পূর্ব সমন্বয় সভা

Post Image

মাসুদ রানা, খানসামা (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: ‘এক ডোজ এইচপিভি টিকা নিন, জরায়ুমুখ ক্যান্সার রুখে দিন’ স্লোগানকে প্রতিপাদ্য করে দিনাজপুর জেলার খানসামা উপজেলায় জাতীয় এইচপিভি টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৪ পূর্ব সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স (পাকেরহাট) কনফারেন্স রুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. শামসুদ্দোহা মুকুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জুনিয়র কনসালটেন্ট (গাইনি) ডা. হাসিনা বানু, মেডিকেল অফিসার লিমন চন্দ্র সেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রতন কুমার ঘোষ, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা তমিজুল ইসলাম, উপজেলা মাধ্যমিক সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা শাজাহান সরকার, উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মঞ্জুরুল হক মিয়াসহ সাংবাদিকবৃন্দ।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়োজনে সভায় মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের মাধ্যমে জরায়ু ক্যান্সার প্রতিরোধী এইচপিভি টিকার উপকারিতাসহ বিস্তারিত তুলে ধরেন মেডিকেল অফিসার ডা. আসিফ জাহান পিয়াস।

সভায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে নারীদের ক্যান্সার জনিত মৃত্যুর মধ্যে জরায়ুমুখ ক্যান্সার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। তাই জরায়ু ক্যান্সার প্রতিরোধী এইচপিভি টিকা স্বাস্থ্য সেবার এক নতুন দিগন্ত। এ টিকা বিশ্বব্যাপী পরীক্ষিত, নিরাপদ ও কার্যকর। আগামী ২৪ অক্টোবর থেকে ১৮ কর্মদিবসে ৫ম থেকে ৯ম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত ছাত্রী সহ ১০-১৪ বছর বয়সী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বহির্ভূত কিশোরীরা বিনামূল্যে এ টিকা নিতে পারবেন।

চেয়ারম্যান ও সদস্যদের অপসারণ না করার দাবিতে মানববন্ধন

চেয়ারম্যান ও সদস্যদের অপসারণ না করার দাবিতে মানববন্ধন

Post Image

জেলা প্রতিনিধিঃ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান,ইউপি সদস্য ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্যদের অপসারণ না করার দাবিতে বরগুনার তালতলীতে মানববন্ধন হয়েছে।

বৃহস্পতিবার(১৭অক্টোবর) সকাল ১০ ঘটিকার সময় সদর রোডে উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান,ইউপি সদস্য ও সাধারণ জনগণ মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন,৫নং বড়বগী  ইউপি সদস্য সিদ্দিকুর রহমান,নিশান বাড়িয়া ইউপি সদস্য জয়নাল আবেদীন মোল্লা,পচাকোড়ালিয়া ইউপি সদস্য মো.সোহেল,নিশান বাড়িয়া ইউনিয়নের সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য ফাতেমা বেগম ও পচাঁকোড়ালিয়া ইউনিয়নের সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য মাসুমা আক্তার সহ একাধিক সদস্যরা।

বক্তব্যে সদস্যরা বলেন,বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন এ মাসেই ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচিত চেয়ারম্যান,ইউপি সদস্যদের অপসারণ হচ্ছেন।আমরা তৃণমূলে জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি। আমরা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আমাদের অনেকের সন্তান অংশগ্রহণ করেছে। অন্তর্বর্তী কালীন সরকারের পক্ষেও আমরা কাজ করতেছি।এলাকায় জনগনের সেবা দিয়ে আসছি। 

আমাদের অপসারণ করা হলে গ্রাম আদালত,জন্ম ও মৃত্যু সনদ,নাগরিকত্ব সনদ, ওয়ারিশ সনদ সহ বিভিন্ন সেবা প্রদানে বিঘ্নিত হবে।এজন্য আমাদের দাবি দেশের যেসব ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বা ইউপি সদস্য বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল ও বর্তমানে যারা গাঢাকা দিয়ে রয়েছে তদন্ত সাপেক্ষে শুধু তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

তালতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন মানববন্ধন এর বিষয় তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃকালাম খান আমাকে মুঠোফোনে জানিয়েছেন।তাছাড়া আমার কাছে ইউপি সদস্যরা কোন ভাবে অবহিত করেনি।

পটুয়াখালীর সেলফি রোডে ছবি তোলা ও ফুটপাতে বসা নিষিদ্ধ করলো কর্তৃপক্ষ

পটুয়াখালীর সেলফি রোডে ছবি তোলা ও ফুটপাতে বসা নিষিদ্ধ করলো কর্তৃপক্ষ

Post Image

মো: নাজমুল,পটুয়াখালী প্রতিনিধি:

পটুয়াখালী সেলফি রোডে ছবি তোলা ও ফুটপাতে বসা নিষিদ্ধ করেছেন কর্তৃপক্ষ।



পটুয়াখালীর অন্যতম একটি সুন্দর স্থান যার নাম সেলফি রোড। যে স্থানে দুপুর গড়িয়ে বিকেল হওয়া মাত্রই ভিড় করে অনেক দর্শনার্থী। কিন্তুু লক্ষ্য করা যায় সেই সেলফি রোডে ছবি তোলা ও ফুটপাতে বসা নিষিদ্ধ করেছেন কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে একটা সাইনবোর্ড দেখা যায় সেলফি রোডে। কেন কি কারণে এই পদক্ষেপ নিয়েছেন কর্তৃপক্ষ তা সঠিক জানা যায়নি। কিন্তু এমন সাইনবোর্ড দেখে নানান মন্তব্য করছেন দর্শনার্থীরা

খুলনায় ভুয়া সমন্বয়কসহ গ্রেপ্তার ৫ জনকে কারাগারে প্রেরণ

খুলনায় ভুয়া সমন্বয়কসহ গ্রেপ্তার ৫ জনকে কারাগারে প্রেরণ

Post Image

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক পরিচয় দিয়ে এক ব্যবসায়ীকে অপহরণ ও মুক্তিপণ দাবির ঘটনায় গ্রেপ্তার ভুয়া সমন্বয়কসহ ৫ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

গত মঙ্গলবার রাতে ৯৯৯ ফোন পেয়ে পুলিশ ওই ৫ জনকে গ্রেপ্তার এবং অপহৃত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশ। পরে ভুক্তভোগী বাদি হয়ে ওই ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। বুধবার আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন সরদার মোন্তাজাবুর রহমান ওরফে জাবের, তাহমিদ রহমান, নাহিদ হাসান, এস এম শরিফ হোসেন ও ইমন হাওলাদার। সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলাম জানান, অপহৃত শেখ অহিদুজ্জামান ও মোন্তাজাবুর রহমান ওরফে জাবের পূর্ব পরিচিত। ডাক্তার দেখাতে গত ১৫ অক্টোবর অহিদুজ্জামান বাগেরহাট থেকে খুলনায় আসেন। ডাক্তার দেখানোর পর জাবের চা খাওয়ার কথা বলে অহিদুজ্জামানকে নগরীর শিববাড়ি মোড়ে নিয়ে আসে। সেখানে পৌঁছানোর পর অন্য ৪ ব্যক্তি তাকে তেতুঁল তলা মোড়ে রোজগার্ডেন হোটেলের তৃতীয় তলায় নিয়ে আটক রেখে চাঁদা দাবি করে এবং বেদম মারপিট করে। তার সঙ্গে থাকা দু’জন ৯৯৯ এ ফোন করলে সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের পর ইমন ও নাহিদ নিজেদের সমন্বয়ক দাবি করে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চালায়। তাদের ছাড়াতে জহুরুল তানভীর নামে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক সমন্বয়ক থানায় যান। কিন্তু অন্য সমন্বয়ক এবং ছাত্ররা অপহরণকারীদের ছেড়ে দেওয়ার প্রতিবাদ জানালে রাতেই এ ঘটনায় মামলা হয়। শিক্ষার্থীরা জানান, গ্রেপ্তার ইমন বিভিন্ন সময় এক সমন্বয়কের সঙ্গে ঘোরাফেরা করতেন। আর নাহিদ একটি ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে জড়িত। তারা বিভিন্ন জায়গায় সমন্বয়কের পরিচয় ব্যবহার করে চাঁদাবাজি ও সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করতে। তাদের ছাড়াতে সমন্বয়কের থানায় যাওয়ার ঘটনায় সবাই বিব্রত। তবে সমন্বয়ক জহুরুল তানভীর বলেন, আমি থানায় কাউকে ছাড়াতে যাইনি। বরং ওসিকে বলেছি, অপরাধী সমন্বয়ক হোক আর যেই পরিচয়েরই হোক তাকে আইনের আওতায় শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সোনাডাঙ্গা থানার এসআই আল আমিন জানান, বুধবার তাদের আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাদের জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

সোহরাওয়ার্দী কলেজের গলার কাঁটা উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীরা

সোহরাওয়ার্দী কলেজের গলার কাঁটা উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীরা

Post Image

সোহরাওয়ার্দী কলেজ প্রতিনিধি:

রাজধানীর পুরান ঢাকায় অবস্থিত অন্যতম একটি সরকারি কলেজ শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ।

পুরান ঢাকার আশেপাশে যে সকল শিক্ষার্থীরা মাধ্যমিক পাশ করে তাদের বেশিরভাগেরই পছন্দের তালিকায় শীর্ষে অবস্থান করে এই কলেজটি। কিন্তু দিনের পর দিন উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফলের বিপর্যয়ের কারণে প্রতিষ্ঠানটির গলার কাটায় পরিণত হয়েছে উচ্চ মাধ্যমিক পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা। ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ হিসেবে শিক্ষার্থীদের ক্লাসে উপস্থিত না থাকা, শিক্ষার্থীদের সচেতনতার অভাব, অবকাঠামোগত সমস্যা ও শিক্ষক সংকটকে দায়ী করছেন কলেজ প্রশাসন। মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটিতে এ বছর পাশের হার ৮০.০৯ শতাংশ এবং জিপিএ ৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৪২ জন। জিপিএ ৫ প্রাপ্তদের মধ্যে ব্যবসায় শিক্ষা থেকে ৫ জন এবং বিজ্ঞান বিভাগ থেকে সর্বোচ্চ ৩৩ জন ও মানবিক বিভাগ থেকে ৪ জন পেয়েছেন। এ বছর ২১২৫ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছেন ১৭০২ জন। অর্থাৎ অকৃতকার্য শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৪২৩ জন।

গত বছর সোহরাওয়ার্দী কলেজের পাশের হার ছিল ৮০.৪৪ শতাংশ এবং জিপিএ ৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল মাত্র ৮ জন। অকৃতকার্য শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৪০৬ জন ২০২২ সালের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় সোহরাওয়ার্দী কলেজের পাশের হার নেমে আসে ৮৭.৬৮ শতাংশ এ এবং জিপিএ ৫ পায় ১১৯ জন। অকৃতকার্য শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১২৪ জন।

২০২১ সালের (সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে অনুষ্ঠিত) উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাশের হার ছিল এসে ৯৬.৭৩ শতাংশ এবং জিপিএ ৫ পায় ৯৫ জন। এবছরও অকৃতকার্য শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১০১ জন।

এ বিষয়ে জানতে কলেজটির উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ফরিদা ইয়াসমিনের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, উচ্চ মাধ্যমিকে পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা পারিবারিক ও জীবন জীবিকা নির্বাহের কারণে বেশিরভাগই ক্লাসে উপস্থিত থাকতে পারে না। সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের একাধিকবার দায়িত্ব দিয়েও শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরাতে পারেননি। ক্লাসে শিক্ষক পরিবর্তন, শিক্ষার্থীদের আনুপাতিক হারে শিক্ষকদের দায়িত্ব ভাগ করে মনিটরিংসহ একাধিক ব্যবস্থা গ্রহণ করলেও আশানুরূপ সাফল্য আসেনি। উচ্চ মাধ্যমিকের আশানুরূপ ফলাফল পেতে শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরার বিকল্প নেই।

শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরাতে কলেজকে আকর্ষণীয় করতে বিভিন্ন ইনডোর গেমসের ব্যবস্থা করা, নির্ধারণ রুটিন ব্যবহার করে ইন্টারমিডিয়েটের ক্লাসগুলো চলমান অবস্থায় স্নাতকের ক্লাসগুলো বন্ধ রাখাসহ একাধিক পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

এ বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কাকলী মুখোপাধ্যায় জানান, আমাদের কলেজে যারা ভর্তি হয় তাদের বেশিরভাগই মাধ্যমিকের ফলাফল থাকে মাঝামাঝি ধরনের। সেক্ষেত্রে একটি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হন এখানকার শিক্ষকেরা। তিনি ফলাফল বিপর্যয়ের পেছনে অবকাঠামোগত সমস্যা, ক্লাসরুম সংকট, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক সংকটকেও দায়ী করেছেন।

তিনি বলেন, এই প্রতিষ্ঠানের নতুন অধ্যক্ষ হিসেবে আজ থেকেই আমার দায়িত্ব শুরু হল। আমি এই প্রতিষ্ঠানের ফলাফলের আশানুরূপ মানোন্নয়নের ব্যাপারে কাজ শুরু করবো। এবং এ ব্যাপারে এ প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষকের আন্তরিক সহায়তা একান্ত কাম্য।

বিদেশি শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের দায়ে বাকৃবি অধ্যাপক সাময়িক বরখাস্ত

বিদেশি শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের দায়ে বাকৃবি অধ্যাপক সাময়িক বরখাস্ত

Post Image

বাকৃবি প্রতিনিধি: মালয়েশিয়ান শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের ঘটনায় অভিযুক্ত কৃষি অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. হারুণ-অর-রশিদকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) প্রশাসন।

বুধবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, 'সোমবার বিকেলে অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের এক জরুরি সিন্ডিকেট সভায় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন ও সুপারিশের প্রেক্ষিতে অধ্যাপক ড. মো. হারুণ-অর-রশিদকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ইতিমধ্যে অধ্যাপক ড. মো. হারুণ-অর-রশিদকে শোকজ বা আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য ১০ দিনের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।'

ওই বিচারের পাশাপাশি বিগত বছরের যৌন হয়রানির বিষয়গুলো খতিয়ে দেখার জন্য সিন্ডিকেটে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এদিকে সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের লিগাল এইড উপ-পরিষদ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনসহ  বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। এছাড়া বাংলাদেশে মালয়েশিয়ান দূতাবাস তদন্তের ফলাফল জানতে চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে চিঠি পাঠিয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২৫ সেপ্টেম্বর ড. হারুণ এর বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অনুষদে অধ্যয়নরত মালয়েশিয়ান এক নারী শিক্ষার্থী। অভিযোগের প্রেক্ষিতে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটির কাজ চলাকালীন বিভিন্ন সময় ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

তারুণ্যের ভাবনায় আগামী বাংলাদেশ

তারুণ্যের ভাবনায় আগামী বাংলাদেশ

Post Image

মো:রাজিব: বাংলাদেশের আগামী দিনের পথচলায় তরুণদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তরুণরা জাতির প্রাণশক্তি ও সম্ভাবনার প্রতীক। তাদের সৃজনশীলতা, উদ্ভাবনী চিন্তা ও অদম্য উদ্যমই বাংলাদেশের উন্নতির মূল চালিকাশক্তি হতে পারে। বর্তমান যুগে তথ্যপ্রযুক্তির বিস্তার, জ্ঞান-বিজ্ঞানের অগ্রগতি, ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার চাপে আমাদের তরুণদের এগিয়ে যেতে হবে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে। তরুণ প্রজন্মের ভাবনায় আগামী বাংলাদেশ হতে পারে একটি সমৃদ্ধ, শিক্ষিত, এবং প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত দেশ। একটি এমন সমাজ যেখানে সুশাসন, ন্যায়বিচার, এবং মানবাধিকার রক্ষিত হবে। তরুণরা চাইবে এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে বেকারত্বের হার কম, শিক্ষার মান উন্নত, এবং স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য। তারা বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে আগ্রহী এবং পরিবেশ সুরক্ষায় সচেতন।

তরুণদের মধ্যে উদ্যোক্তা হওয়ার মানসিকতা তৈরি হলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হবে। এছাড়া তারা সামাজিক, রাজনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক খাতে নিজেদের যুক্ত করতে পারলে দেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। সঠিক দিকনির্দেশনা ও নেতৃত্বের মাধ্যমে তরুণরা ভবিষ্যতের বাংলাদেশকে একটি উন্নত, স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ দেশে রূপান্তর করতে সক্ষম।

মো:রাজিব গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়

উপাচার্যের খাস কামরায় ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে শিক্ষকের স্টাটাসের স্ক্রিনশট

উপাচার্যের খাস কামরায় ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে শিক্ষকের স্টাটাসের স্ক্রিনশট

Post Image

মিরাজ হোসেন বশেফমুবিপ্রবি প্রতিনিধি:

উপাচার্যের খাস কামরায় ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে শিক্ষকের স্টাটাসের স্ক্রিনশট 'আমার ছাত্র মরলো কেনো? জবাব চাই, বিচার চাই...' — নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে ছাত্রহত্যার ঘটনায় বিচার চেয়ে এই পোস্টটি করেছিলেন জামালপুরের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. সাইফুল ইসলাম।



আর এতেই যেন গা চমচমিয়ে উঠলো পদত্যাগী স্বৈরাচার সরকারের সময় এ বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ ছাত্রলীগ শাখার নেতাদের। তারা পোস্টদাতা সাইফুল ইসলামসহ যারা কমেন্ট করেছেন তাদের সেইসব পোস্টের স্ক্রিনশট প্রিন্ট করে জমা দিয়েছেন পদত্যাগী উপাচার্য মো. কামরুল আলম খানের কাছে। শুধু সাইফুল ইসলাম-ই নন, আরও সাবেক ট্রেজারার, কয়েকজন শিক্ষকের স্ট্যাটাস ও কমেন্টের স্ক্রিনশট জমা দিয়েছেন তারা।

ক্যাম্পাস সূত্র জানায়, গত জুলাই মাসে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারকে কেন্দ্রে করে শুরু হয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। এতে শত শত ছাত্র-জনতা নিহত হতে থাকলে তা রূপ নেয় সরকার পতনের গণঅভ্যুত্থানে। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মতো এ বিশ্ববিদ্যালয়েরও কিছু শিক্ষক আন্দোলনের যৌক্তিকতা তুলে ধরে এর পক্ষে ফেসবুকে পোস্ট করেন। এসব ঘটনায় নজরদারি বা বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্দেশ্যে সাবেক উপাচার্যের কাছে এসব জমা দেওয়া হয়। যা উপাচার্য চলে যাওয়ার পর তার কক্ষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতে গিয়ে তা পাওয়া যায়। তবে কে বা কারা এসব স্ক্রিনশট জমা দিয়েছেন তা জানা যায়নি।

খামেভর্তি ১০ পাতার প্রিন্ট করা পোস্ট ও কমেন্টের বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, বেশির ভাগ পোস্টই সাইফুল ইসলামের। হাত উঁচু করে লাল কার্ড দেখানো একটি ছবি সংযুক্ত করে আরেকটি পোস্টে তিনি লেখেন, 'ছাত্র-জনতা মুক্তি পাক, খুনীরা সব নিপাত যাক।' এছাড়াও অন্যান্য পোস্টগুলোতেও আন্দোলনের পক্ষে তার স্পষ্ট অবস্থান ফুটে ওঠে।

ফিশারিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সৈয়দ আরিফুল হকের স্ট্যাটাস শেয়ারের কপিও আছে। পোস্টগুলোর মধ্যে একটি পোস্টে কোরআনের আয়াত এবং আরেকটিতে শহিদ আবু সাঈদের মৃত্যুর শোক প্রকাশ করে লেখেন, 'আমরা শিক্ষকরা, যারা ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে অভিভাবক হিসেবে পরিচিত সে শিক্ষকরাই যখন নিজ ক্যম্পাসে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ, সে আবার কিসের অভিভাবক। এ লজ্জা আমাদের, মেরুদণ্ডহীন শিক্ষকদের। আমি শিক্ষক হিসেবে বাকরুদ্ধ, লজ্জিত,ব্যথিত।'

এছাড়া কমেন্টে সমাজকর্মবিভাগের শিক্ষক ড. আল মামুন সরকার ও ট্রেজারার মোহাম্মদ আবদুল মাননানের নাম হাইলাইটার পেন দিয়ে মার্ক করা রয়েছে। এতে কিছু শিক্ষার্থীর কমেন্টও দেখা যায়। তারা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী শাকিল আহমেদ, বর্তমান শিক্ষার্থী তাবাসসুম রাফি ও মামুনুর রশিদসহ আরও বেশ কয়েকজন।

ক্যাম্পাস সংশ্লিষ্টদের ধারণা, ৪ আগস্ট ছিলো অভ্যুত্থানের আগে সর্বশেষ কর্মদিবস। ওইদিনই এসব স্ক্রিনশট উপাচার্যের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। স্ক্রিনশট অনুযায়ী, সাইফুল ইসলামের সর্বশেষ স্ট্যাটাস ৩ আগস্ট দেওয়া। যা পোস্ট করার ১৯ ঘণ্টা স্ক্রিনশট নেওয়া হয়েছে। অন্যান্য স্ক্রিনশটগুলোতেও দেখা যায়, বেশিরভাগ পোস্ট করা হয়েছে ৩ আগস্ট বা তারও আগে।

ক্যাম্পাস সূত্র জানায়, ৪ আগস্ট ছিলো রোববার। ওইদিন সকালে উপাচার্য ঢাকা থেকে ক্যাম্পাসে আসেন। এরপর থেকে তার কক্ষে সদ্য পদত্যাগী ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর এসএম ইউসুফ আলী, মির্জা আজম হলের ভারপ্রাপ্ত প্রভোস্ট পার্থ সারথি দাশ, ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কাওসার আহমেদ স্বাধীন, যুগ্ম আহ্বায়ক তাইফুল ইসলাম পলাশসহ কয়েকজন শিক্ষক ও কর্মকর্তা উপাচার্যের কাছে বসেছিলেন। আর কক্ষটি ৫ আগস্টের পর ২৯ সেপ্টেম্বর খোলা হয় । এরপরই মূলত এসব স্ক্রিনশট পাওয়া গেছে। আন্দোলন চলাকালে ছাত্রলীগ সাধারণ শিক্ষার্থীদের নানাভাবে হয়রানি করেছে। অনেক কর্মকর্তা ও কর্মচারীর মোবাইল চেক করেছে। আর এসব কাজে সহায়তা দিয়ে গেছেন পদত্যাগী উপাচার্য, ভারপ্রাপ্ত প্রক্টরসহ প্রশাসনের অনেক শিক্ষক ও কর্মকর্তা।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জানান, উর্ধ্বতনরা নির্দেশ দিয়েছেন, সরকার যেকোনো সময় উপাচার্য নিয়োগ দিতে পারে। তাই কক্ষটি নতুন উপাচার্যের ব্যবহারের উপযোগী করতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে রাখতে। এছাড়া সদ্য পদত্যাগ করা উপাচার্যের ব্যক্তিগত কিছু জিনিসপত্র ছিল। তাও ফেরত পাটাতে বলা হয়। আর এসব গোছাতে গিয়ে উপাচার্যের খাস কামরায় কয়েকটি খাম পাওয়া যায়। এর বেশিরভাগই নষ্ট কাগজপত্র। সেখানে পাওয়া একটি খাম খুললে একজন শিক্ষকদের ফেসবুক পোস্ট ও কমেন্টের স্ক্রিনশট প্রিন্ট করে মার্কার দিয়ে মার্ক করা দেখতে পাওয়া যায়। তখন বিষয়টি অফিসের ঊর্ধ্বতনদের জানানো হয়।
তবে এ বিষয় যোগাযোগ করা হলে সদ্য পদত্যাগ করা উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো: কামরুল আলম খানের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

এদিকে সরকার গত ২৫ সেপ্টেম্বর ফিশারিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. সাইফুল ইসলামকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক, প্রশাসনিক ও একাডেমিক দায়িত্বে নিয়োজিত করেছে সরকার। এ বিষয়ে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, গত ৮ অক্টোবর উপাচার্যের কক্ষ পরিষ্কার করার সময় একটি খাম পাওয়া যায়। খামটিতে জুলাই-আগস্ট মাসে ছাত্র আন্দোলন নিয়ে শিক্ষকদের করা কয়েকটি পোস্টের স্ক্রিনশট পাওয়া যায়। সেগুলোতে শিক্ষকদের নাম হাইলাইট করা।

'ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বর্হিঃপ্রকাশ। দাবিটি ছিলো যৌক্তিক। শিক্ষক হিসেবে ছাত্রদের পক্ষে অবস্থান নেওয়াও স্বাভাবিক। তাছাড়া এটি মতপ্রকাশের অধিকারও বটে। কিন্তু গোপনে এ ধরনের নজরদারি কিংবা অভিযোগ খুবই অনিভিপ্রেত।'

তিনি করেন, কোনো ধরনের ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যেই এই হীন কাজটি কেউ না কেউ করেছে। এই আন্দোলন সফল না হলে যেমন অনেক শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন চালিয়ে নেওয়া সম্ভব হতো না এবং তেমনই যেসব শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী অনলাইন বা অফলাইনে আন্দোলনে সমর্থন দিয়েছে তাদেরও হয়রানির মধ্যে পড়তে হতো। আমরা মনে করি- এর প্রক্রিয়া হিসেবেই এসব করা হয়েছ।

নিয়মিত উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হলে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হবে বলেও জানান মো. সাইফুল ইসলাম।

প্রথমবারের মতো পবিপ্রবির এ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি ডিসিপ্লিনের বিদেশে ইন্টার্নশিপ

প্রথমবারের মতো পবিপ্রবির এ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি ডিসিপ্লিনের বিদেশে ইন্টার্নশিপ

Post Image

পবিপ্রবি সংবাদদাতা:

পবিপ্রবির এ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি ডিসিপ্লিন থেকে প্রথমবারের মতো ইন্টার্নশিপের অংশ হিসেবে ২০১৮-১৯ সেশনের একাংশ বিদেশে রওনা হয়েছে।

তারা থাইল্যান্ডের সুরানারী ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজিতে ইন্টার্নশিপের সুযোগ পেয়েছেন। এ্যানিমেল হাজবেন্ড্রীর ৮ম ব্যাচ দিয়ে বিদেশে প্রথমবারের মতো ইন্টার্নশিপের সুযোগ পেলেন তারা। উল্লেখ্য, এএনএসভিএম অনুষদের আরেক ডিসিপ্লিন ডিভিএমের ২০১৭-১৮ সেশন এর আগে বিদেশে ইন্টার্নির সুযোগ পায়। শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন এর মাধ্যমে এএনএসভিএম অনুষদের সব ডিসিপ্লিন এখন থেকে বিদেশে ইন্টার্নি করতে পারবে।

স্বল্পমূল্যে গবাদিপশুর ব্রুসেলোসিসের টিকা তৈরি করলেন বাকৃবির গবেষকদল

স্বল্পমূল্যে গবাদিপশুর ব্রুসেলোসিসের টিকা তৈরি করলেন বাকৃবির গবেষকদল

Post Image

বাকৃবি প্রতিনিধি: গবাদিপশুর গুরুত্বপূর্ন রোগ ব্রুসেলোসিসের ভ্যাকসিন তৈরি করলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ভেটেরিনারি অনুষদের মাইক্রোবায়োলজি এন্ড হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আরিফুল ইসলাম, একই বিভাগের অধ্যাপক ড. মোছা. মিনারা খাতুন, গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের পোল্ট্রি বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মো. জামিনুর রহমানসহ বাকৃবির স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থীরা।

বাংলাদেশ একাডেমি অফ সাইন্সেস - ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট অফ এগ্রিকালচার ( বিএএস - ইউএসডিএ) এর অর্থায়নে গবেষণাটি সম্পন্ন হয়েছে। ২০২০-২৩ সাল পর্যন্ত এই গবেষণাটি করা হয়।

ব্রুসেলোসিস রোগ নিয়ে অধ্যাপক ড. মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, ব্রুসেলোসিসে আক্রান্ত গরু, ছাগল, ভেড়া যদি গর্ভধারণ করে তখন তাদের গর্ভপাত হতে পারে। গর্ভাবস্থায় থাকাকালীন ৬ মাস পর সাধারণত গর্ভপাতটি হয়ে থাকে। ফলে খামারি একইসাথে বাছুরটি ও হারায় এবং গাভীর দুধের উৎপাদনও কমে যায়। অর্থাৎ খামারে বড় ধরনের অর্থনৈতিক ক্ষতি সাধিত হয়। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটেও ব্রুসেলোসিস অতীব গুরুত্বপূর্ণ একটি রোগ, যা ব্রুসেলা ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে হয়ে থাকে। দেশের প্রায় ৫-৬ শতাংশ গবাদিপশু এ রোগে আক্রান্ত। এতে পশু মারা না গেলেও প্রচুর অর্থনৈতিক ক্ষতি সাধিত হয়। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে জুনোটিক রোগের (প্রাণীর থেকে মানুষে ছড়ায়) ক্ষেত্রে বোভাইন যক্ষ্মার পরই ব্রুসেলোসিসের অবস্থান, যা দেশের নীতিনির্ধারক কর্তৃক স্বীকৃত। সাধারনত পশু চিকিৎসক এবং খামারিরা এ রোগে বেশি আক্রান্ত হন। অজ্ঞতাবশত মাস্ক, গ্লাভস ছাড়া ব্রুসেলোসিসে আক্রান্ত প্রাণীর বাছুর বের করতে গেলে অথবা পরিষ্কার করতে গেলে মানবদেহে রোগটি ছড়িয়ে পড়ে। মানুষ ব্রুসেলায় আক্রান্ত হলে তার কর্মক্ষমতা কমে যাওয়া সহ নানান সমস্যার দেখা দেয়।

গবেষণা নিয়ে অধ্যাপক জানান, ভ্যাকসিনের ফিল্ড ট্রায়ালের জন্য ময়মনসিংহ, গাজীপুর ও টাঙ্গাইলের প্রায় ৪০০ গাভীর দেহে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করি এবং পরবর্তীতে ওই গাভীগুলোর এন্টিবডি টেস্ট এর মাধ্যমে নির্ণয় করতে পারি ব্রুসেলোসিসের বিরুদ্ধে উদ্ভাবিত ভ্যাকসিন টি যথেষ্ট কার্যকর। প্রায় ১ বছর ভ্যাকসিনটির ফিল্ড ট্রায়াল চলে।

ভ্যাকসিন সম্পর্কে অধ্যাপক আরিফুল জানান, বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে 'ব্রুসেলা অ্যাবোরটাস’ (Brucella abortus) এর আধিক্য বেশি দেখা যায়। ব্রুসেলা অ্যাবোরটাস’র বায়োভার-৩ এর বিরুদ্ধে উদ্ভাবিত ভ্যাকসিনটি সবচেয়ে বেশি কার্যকর। তবে অন্যান্য বায়োভারের বিরুদ্ধেও ইহা প্রতিরক্ষা দিবে অ্যান্টিজেনিক মিল থাকার কল্যাণে। আমাদের উদ্ভাবিত ভ্যাকসিনটি মৃত ভ্যাকসিনের অন্তর্গত। প্রতি ছয়মাস অন্তর অন্তর ভ্যাকসিনটির বুস্টার ডোজ দিতে হবে।

ভ্যাকসিনটির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এবং ধরন সম্পর্কে জানতে চাইলে অধ্যাপক আরিফুল জানান, ভ্যাকসিন সাধারণত দুইধরণের হয় যেমন: জীবিত ভ্যাকসিন, মৃত ভ্যাকসিন। জীবিত ভ্যাকসিনে অনুজীবটি জীবিত ও দুর্বল থাকে কিন্তু মৃত ভ্যাকসিনে অণুজীবটি মৃত থাকে কিন্তু এন্টিবডি বিদ্যমান থাকে। জীবিত ভ্যাকসিনের অসংখ্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে, যেমন: ভ্যাকসিন দেয়ার সময় ইনজেকশনের সুঁচ ঠিকমতো না ফুটলে ওই জীবিত ব্যাকটেরিয়া মানুষ ও অন্য পশুর সংস্পর্শে এসে রোগ সৃষ্টি করতে পারে, গর্ভপাত করতে পারে, জীবিত ভ্যাকসিন সংরক্ষণের জন্য কোল্ড চেইন দরকার পরে এজন্যই আমরা মৃত ভ্যাকসিন নিয়েছি। আমাদের তৈরি ভ্যাকসিনের কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া পাওয়া যায় নি।

পরিশেষে অধ্যাপক ড. মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, ভ্যাকসিনের ফর্মুলা তৈরি আছে তবে বাণিজ্যিক ভাবে উৎপাদন করা হয়নি। তবে পর্যাপ্ত ফান্ডিং এবং সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে হয়তো এর বাণিজ্যিক উৎপাদন সম্ভব। এছাড়াও কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যদি চায় তাহলে আমরা ভ্যাকসিনটি তৈরি করে তাদের সরবরাহ করতে পারবো। ভ্যাকসিনটির জন্য গবাদিপশু প্রতি খরচ পড়বে মাত্র ৫০ থেকে ১০০ টাকা। বুস্টার ডোজের জন্যও একই খরচ পড়বে। উৎপাদন খরচ, সস্তা কাঁচামাল ও প্রযুক্তিগত বিষয়ে খরচ কম হওয়ায় এতো অল্প মূল্যে ভ্যাকসিনটি সরবরাহ করা সম্ভব হয়েছে।

উল্লেখ্য, অধ্যাপক ড. মো. আরিফুল হক ও তার গবেষকদল ২০১৬ সালে দেশে সর্বপ্রথম গবাদিপশুর দেহে ব্রুসেলার উপস্থিতি নির্ণয় করেছিলো।

অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে বেরোবি রেজিস্ট্রারের পদত্যাগ

অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে বেরোবি রেজিস্ট্রারের পদত্যাগ

Post Image

হেলাল মিয়া, বেরোবি প্রতিনিধি: রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. আলমগীর চৌধুরী শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে রেজিস্ট্রারের পদ থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন।

সোমবার (১৪ অক্টোবর) উপাচার্য বরাবর এক চিঠি প্রদানের মাধ্যমে রেজিস্ট্রারের পদ থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন।

মূলত রেজিস্ট্রার পদটি চুক্তিভিত্তিক চাকুরি। আগামী বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি তার চুক্তিভিত্তিক মেয়াদের সময়সীমা শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তিনি নির্ধারিত সময়ের আগেই শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদ থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন।

উপাচার্য বরাবর প্রদানকৃত চিঠিপত্রে প্রকৌশলী মো. আলমগীর চৌধুরী লিখেন, আমার চুক্তিভিত্তিক চাকুরীর মেয়াদ ২০২৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি শেষ হয়ে যাবে। আমার শারীরিক অসুস্থতার কারণে ১৪ অক্টোবরের ২০২৪ ইং রেজিস্ট্রার পদের দায়িত্ব হতে পদত্যাগ/অব্যাহতি গ্রহণ করলাম। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার পদে দায়িত্ব পালনকালীন শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পক্ষ থেকে যে সহযোগিতা পেয়েছি তার জন্য তাদেরকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।

বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ ও প্রাণিখাদ্য বিতরণ খুকৃবির

বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ ও প্রাণিখাদ্য বিতরণ খুকৃবির

Post Image

খুবি প্রতিনিধি, প্রকৃতির প্রলয়ে আজ ম্লান হয়ে পড়েছে মানুষের মুখের হাসি।

গৃহহারা হয়েছে অসংখ্য পরিবার। নিঃস্ব হয়েছেন অনেক খামারী। বন্যার কারণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় নষ্ট হয়েছে ফসল। গবাদি পশু বিভিন্ন রোগ ব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছে। পাশাপাশি বন্যার পানিতে খড় নষ্ট হয়ে যাওয়ায় ও চারণভূমি তলিয়ে যাওয়ায় দেখা দিয়েছে চরম গো-খাদ্য সংকট। একদিকে নিজেদের খাদ্য সংকট অন্য দিকে গবাদিপশুর রোগ ব্যাধি প্রকট। সবমিলিয়ে বিভীষিকাময় সময় পার করছেন খুলনার ঘোষড়া, মাগুরাঘোনা ও ডুমুরিয়ার সাধারণ নিম্ন আয়ের জনগণ ও প্রান্তিক খামারিরা।

এই মহাসংকটে দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের একমাত্র কৃষি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (খুকৃবি) মানবসেবার ব্রত নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে।

শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় আজ রবিবার(১৩ই অক্টোবর) ঘোষড়া, মাগুরাঘোনা ও ডুমুরিয়ার ৫৫ টি পরিবারের মাঝে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের একটি টিমের উদ্যোগে ত্রাণসামগ্রী উপহার দেয়া হয়।

ত্রাণ সামগ্রীর মধ্যে ছিল নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য চাল, ডাল, আলু, চিড়া, লবণ, চিনি ও স্যালাইন। একই সাথে প্রান্তিক ৪৫ টি পরিবারের মাঝে প্রাণিখাদ্য বিতরণ করা হয়।

প্রাণিখাদ্যের মধ্যে মিক্সড ভুষি বিতরণ করা হয়। প্রাণিস্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি, এনিমেল অ্যান্ড বায়োমেডিক্যাল সায়েন্সেস অনুষদের ইন্টার্ন ভেটেরিনারি ডাক্তার ও শিক্ষার্থীগণ।

ইন্টার্ন ডা. আহনাফ তাহমিদ শব্দ বলেন, বন্যা পরিস্থিতির এই সময় গবাদি পশুর খাদ্য সংকট নিরসন , প্রাণির স্বাস্থ্য রক্ষা ও খামারির আর্থিক দুরবস্থা দূরীকরণে প্রান্তিক খামারীদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই আমরা খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাই।

প্যাকেজিং ও কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনে সাহায্য সহযোগিতা করেন স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীগণ। তাদের মধ্য থেকে একজন শিক্ষার্থী এম এম ফিরোজ আহম্মেদ বলেন, এরকম প্রাকৃতিক দুর্যোগে ঘটে যাওয়া সমস্যা দূরীকরণে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়। ভবিষ্যতেও তারা এরকম জনকল্যাণমূলক কাজে অংশগ্রহণ করবেন বলে আশা করছি।

এছাড়াও বন্যা পরবর্তী ক্ষয়ক্ষতি থেকে উন্নয়নের লক্ষ্যে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি টিম বন্যাদূর্গত এলাকার মানুষদের সাথে কথা বলে সার্বিক পরিস্থিতি জানার চেষ্টা করেন। বন্যার পানির কারণে রাস্তাঘাট তলিয়ে গেছে এবং অনেক বসত-ভিটার ক্ষতিসাধন হয়েছে। চিংড়ি ও মাছের ঘের প্লাবিত হওয়ায় অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন মাছ চাষিরা।

ফিশারিজ এন্ড ওশান সাইন্সেস অনুষদের শিক্ষার্থী নাজমুস সাকিব জানায়, সামনের দিনগুলোতো আমরা চেষ্টা করবো বন্যা পরবর্তী সহায়তা কর্মসূচী করার। একই সাথে মাছ চাষিরা যে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন তাদেরকে মাছের পোনা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

শতশত কৃষক ও খামারিদের অপূরনীয় ক্ষতি লাঘব করতে প্রয়োজন সম্মিলিত উদ্যোগ। পুনর্বাসন কাজে সবাইকে এগিয়ে আসার উদ্বাত্ত আহ্বান উদ্বাস্তু বানভাসী মানুষের। বিজয়ী তারুণ্যের সর্বাত্মক সহযোগিতায় প্রাকৃতিক প্রলয়কে রুখে দিয়ে কৃষকের মুখে হাসিফুটবে এমনটাই প্রত্যাশা খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের।

মা ইলিশ আহরণ থেকে বিরত রাখতে নদীতে সারারাত অভিযান

মা ইলিশ আহরণ থেকে বিরত রাখতে নদীতে সারারাত অভিযান

Post Image

বরগুনা জেলা প্রতিনিধি: মা ইলিশ সংরক্ষণে পায়রা নদীর তালতলীর অংশে রাতভর অভিযান চালিয়েছে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ও নৌপুলিশের টিম।

শনিবার (১২ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১২টা থেকে রোববার ভোর পর্যন্ত এ অভিযান চালানো হয়।  

নৌপুলিশ ও মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, ১৩ অক্টোবর রাত ১২টা থেকে আগামী ৩রা নভেম্বর পর্যন্ত ২২ দিন মা ইলিশ ক্রয়-বিক্রয়, বহন, বিতরণ, আহরণ বন্ধ থাকবে। তারই ধারাবাহিকতায় আজ প্রথম দিনে পায়রা নদীর তালতলীর অংশে অভিযান চালানো হয়েছে। রাতভর অভিযানে ৭জনকে আটক করে জরিমানা করা হয়েছে। 

এছাড়া প্রায় ১০০কেজি ইলিশ জব্দ এবং ২০ হাজার মিটার  জাল ধ্বংস করা হয়। আটককৃতদের মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ৫ হাজার টাকা করে মোট ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জব্দকৃত ইলিশ মাছ এতিমখানা সহ অসহায় ও দুস্থদের মাঝে বিলি করা হয়েছে। 

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ভিক্টোর বাইন জানান,নিষেধাজ্ঞার প্রথম রাত ১২টা থেকে ভোর পর্যন্ত অভিযান চালিয়েছি। গতবারের চাইতে এবারের অভিযান আরো জোরালো করা হবে। যাতে কেউ পায়রা নদী থেকে অভিযান চলা সময়ে মা ইলিশ ধরতে না পারে।

এ বিষয় তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেছেন অভিযানের বিষয় মৎস্য কর্মকর্তাকে পর্যাপ্ত পরিমাণ সহযোগিতা করা হবে।

রংপুর বিভাগে প্রাথমিকে শ্রেষ্ঠ কর্মচারী নূরে আলম সিদ্দিকী

রংপুর বিভাগে প্রাথমিকে শ্রেষ্ঠ কর্মচারী নূরে আলম সিদ্দিকী

Post Image

মাসুদ রানা,খানসামা (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৪ এর জন্য রংপুর বিভাগের শ্রেষ্ঠ কর্মচারী নির্বাচিত হয়েছেন নূরে আলম সিদ্দিকী।

গত বুধবার (২ অক্টোবর) বিভাগীয় উপপরিচালক কার্যালয়ে বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক বাছাই কমিটি ঘোষিত ফলাফলে এ তথ্য জানা গেছে।

বিভাগীয় পর্যায়ে নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ কর্মচারী নূরে আলম সিদ্দিকী দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক। তিনি পার্শ্ববর্তী কাহারোল উপজেলার ভেলয়া গ্রামের মো. আনিসুর রহমানের ছেলে।

নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করে নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, স্বীকৃতি কাজের অনুপ্রেরণা ও দায়িত্ববোধ বাড়িয়ে দেয়। আমার ক্ষেত্রেও হয়তো ব্যতিক্রম নয়। এ স্বীকৃতি আগামী দিনগুলোতে আমাকে ভালো কাজ করতে আরও বেশি অনুপ্রাণিত করবে। তিনি আরো বলেন, আমি যেন জাতীয় পর্যায়েও আমার এ কৃতিত্ব ধরে রাখতে পারি সে জন্য সকলের কাছে দোয়া চাই।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এরশাদুল হক চৌধুরী বলেন, শ্রেষ্ঠ কর্মচারী নূরে আলম সিদ্দিকী আমাদের গর্ব। তিনি যেন দেশ সেরা হতে পারেন আমরা সকলেই এই কামনা করি।

খানসামায় আন্তর্জাতিক দূর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

খানসামায় আন্তর্জাতিক দূর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

Post Image

মাসুদ রানা,খানসামা (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: "আগামী প্রজন্মকে সক্ষম করি, দুর্যোগ সহনশীল ভবিষ্যৎ গড়ি" স্লোগানে দিনাজপুরের খানসামায় আন্তর্জাতিক দূর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে র‍্যালি, ভূমিকম্প ও অগ্নিকান্ড বিষয়ক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (১৩ অক্টোবর) সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের সার্বিক সহযোগিতায় উপজেলা পরিষদ থেকে একটি র‍্যালি বের হয়ে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় সেখানে শেষ হয়। র‍্যালি শেষে উপজেলা পরিষদ চত্বরে ফায়ার সার্ভিসের মহড়া অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আশিক আহমেদ, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এনামুল হাসান, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো.তমিজুল ইসলাম, খানসামা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন লিডার আবু সায়েম, সহকারী শিক্ষক সারওয়ার মোর্শেদ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ স্থানীয়রা।

শেরপুরে বন্যার্তদের সহযোগিতায় বশেফমুবিপ্রবির শেরপুর ছাত্র কল্যাণ সংস্থা

শেরপুরে বন্যার্তদের সহযোগিতায় বশেফমুবিপ্রবির শেরপুর ছাত্র কল্যাণ সংস্থা

Post Image

মিরাজ হোসেন, বশেফমুবিপ্রবি প্রতিনিধি: টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় শেরপুরের নালিতাবাড়ী ও ঝিনাইগাতী উপজেলার কমপক্ষে সাড়ে ছয় হাজার ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে ৮০ বস্তা ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেফমুবিপ্রবির) শেরপুর জেলা ছাত্র কল্যাণ পরিষদ। এ সময় তাঁরা শেরপুরের নকলা উপজেলার ৪ নং গৌড়দার ইউনিয়নের দতিয়াঘুরি ও ফুলপুর উপজেলার  চিকনা ,ছনদড়া এলাকায় বন্যা দুর্গতদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন। ত্রান সামগ্রী বিতরনে সার্বিক দায়িত্ব পালন করেন বশেফমুবিপ্রবির সাবেক শিক্ষার্থী ও শেরপুর জেলা ছাত্রকল্যান পরিষদের সাবেক সভাপতি কৃষিবিদ মুন্তাসির মাহমুদ এবং বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ফাহিম উদ্দিন। স্থানীয়দের মাঝে উপস্থিত ছিলেন মোজাম্মেল হক (সাবেক চেয়ারম্যান)। এছাড়াও ভলান্টিয়ার হিসাবে সহযোগিতা করেন  রাকিব হাসান, মোহাইমিনুল হক ফাহিম, রাহাত সহ প্রমুখ।

৪ অক্টোবর ভোর থেকে স্মরণকালের ভয়াবহ এক পাহাড়ি ঢল দেখেছে শেরপুরবাসী। এতে মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে হাজারো পরিবার। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মাটির ঘরে থাকা পরিবারগুলো। স্থানীয়দের দাবি, প্রতিবছর বর্ষায় দুই–তিনবার ঢলে ভাসলেও এর আগে এমন তাণ্ডবলীলা কেউ দেখেননি আগে। কোনও কিছু বুঝে ওঠার আগেই মেঘালয়ের পাহাড় থেকে নেমে আসা ঢল চারটি নদীপাড়ের মানুষের সব লন্ডভন্ড করে দেয়। গত তিন দিন বৃষ্টি না থাকায় ও উজানের পানি কমতেই ভেসে উঠছে ক্ষয়ক্ষতির চিত্র।

শেরপুর এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি মুন্তাসির মাহমুদ ডেইলি ক্যাম্পাসকে জানান, "প্রায় এক সপ্তাহ ধরে অত্র এলাকার মানুষ পানি বন্দি। পানি যত কমতেছে তাদের দুঃখ দুর্দশা বেড়েই চলছে। সেই দুঃখ দুর্দশা খানিকটা লাঘব করার জন্য আমরা বান বাসীদের জন্য অল্প উপহার নিয়ে আসছি। পরবর্তীতেও আমরা আপনাদের পাশে থাকবো।"

স্থানীয়দের মাঝে মোজাম্মেল হক (সাবেক চেয়ারম্যান) জানান, "আমি বেশ কিছু সংগঠনের ত্রাণের কাজে সহযোগিতা করতেছি। কিন্তু অত্র এলাকায় যত উপহার আসছে তার মধ্যে শেরপুর জেলা ছাত্র কল্যাণ পরিষদ, বশেফমুবিপ্রবির উপহার সামগ্রী বান বাসিদের জন্য  কার্যকরী ভূমিকা রাখবে। আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আপনারা আমার এলাকার জন্য সুদৃষ্টি রাখবেন।"

আগাম ধান কাটা শুরু, কৃষকের মুখে হাসির ঝিলিক

আগাম ধান কাটা শুরু, কৃষকের মুখে হাসির ঝিলিক

Post Image

দিনাজপুরের খানসামায় মাঠে মাঠে স্বল্পমেয়াদি উচ্চ ফলনশীল আগাম আমন ধান পাকতে শুরু করায় কাটা ও মাড়াই শুরু করছেন চাষিরা।

এতে করে আগাম আলুসহ শীতকালীন রবি শস্য চাষের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা। আগাম ধান কাটা ও মাড়াই শুরু হওয়ায় বেশ আনন্দে রয়েছেন কৃষকসহ শ্রমিকরা। ভালো ফলন ও ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকের চোখে মুখে এখন হাসি ফুটেছে। ধানের পাশাপাশি গো খাদ্যের জন্য কাঁচা খড়ের ভালো ব্যবসা চলছে। চাহিদা থাকায় মাঠে মাঠে ধানের কাঁচা খড় কেনার জন্য মৌসুমি খড় ব্যবসায়ীরা হুমড়ি খেয়ে পরেছেন। জমিতে তিন থেকে চারটি ফসল হওয়ায় আর্থিক ভাবে লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা। আগাম জাতের ধান রয়েছে হাইব্রিড, এসিআই-১, এসিআই-২, বিনা-১৭, বিনা-২০, বিএডিসিসহ নানা জাতের ধান। শনিবার (১২ অক্টোবর) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার সহজপুর, হোসেনপুর, গোবিন্দপুরসহ বিভিন্ন গ্রামগুলোতে আগাম জাতের ধান উৎপন্ন করা হয়। মাঠের পর মাঠ সবুজের মাঝে পাকা ধানক্ষেত। আগাম ধান কাটা নিয়ে কৃষকরা ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। কেউ ধান কাটছে, কেউ আবার ধান কেটে কাঁধে করে জমি থেকে রাস্তায় তুলছে। আবার সেই ধান শ্রমিক দ্বারা মেশিনের মাধ্যমে মাড়াই করছে। নারীরা মাড়াই করা ধান বাতাসে উড়িয়ে পরিষ্কার করছেন। কেউ কেউ ধান মাড়াইয়ের পর শুকানোর কাজে ব্যস্ত রয়েছেন। ধান কাটা মাড়াই শেষে তারা খড় বাজারে বিক্রি করে ভালো লাভবান হচ্ছে। কৃষক খড় বিক্রি করে কিছুটা চাষের খরচ তুলছেন।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এ বছর উপজেলায় ১৩ হাজার ৭৬০ হেক্টর জমিতে রোপা আমনের আগাম জাতের ধানের আবাদ হয়েছে। এ পর্যন্ত ১৫০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধান কর্তন হয়েছে। যার গড় ফলন ৬.৪৫ মে.টন (ধানে)। যার উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৬৭ হাজার ১৭০ মে. টন। যা গত বছরের তুলনায় বেশি।

উপজেলার হোসেনপুর এলাকার কৃষক রবিউল ইসলাম বলেন, 'আমি এবার ৬ বিঘা ধান লাইগিয়েছি মোটামুটি হেবি ধান দিছে আল্লাহ্ এইবার। আমার জমিতে ২ বিঘায় ৭০ মন ধান আসতেছে। আমি খুব খুশি।'

আরেক কৃষক মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, 'আগে অন্য ধান লাগিয়ে লাভবান হই নাই। এবার আগাম জাতের ধান লাগিয়ে অনেক ফলন পেয়েছি। আমি আগামীতে আবারো এই ধান রোপন করবো। আমি দুই বিঘা জমির ধান কেটে ৭৫ থেকে ৮০ মন ধান পেয়েছি শুকিয়ে। আমি ধানের খুব যত্ন নিয়েছি তাই আল্লাহর রকমে ভাল ধান পেয়েছি।'

কৃষিশ্রমিক আবুল হোসেন বলেন, এ সময়টায় এলাকায় কাজের চাহিদা কম। আগাম ধান চাষ হওয়ায় এখন ধান কাটা ও মাড়াই চলছে। মজুরি পেয়ে যা আয় হচ্ছে, তা দিয়ে সংসার চলছে।

উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা ইয়াসমিন আক্তার বলেন, চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং রোগ ও পোকামাকড়ের প্রাদুর্ভাব কম থাকায় এ বছর রোপা আমনের উৎপাদন লক্ষমাত্রা কে ছাড়িয়ে যাবে, যা দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ফসলহানির ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। কৃষি বিভাগের তৎপরতায় কৃষক আশার স্বপ্ন বুনছে বলে তিনি জানান।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্যোক্তা অ্যাসোসিয়েশন (RUEA) এর যাত্রা শুরু

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্যোক্তা অ্যাসোসিয়েশন (RUEA) এর যাত্রা শুরু

Post Image

রাবি প্রতিনিধি: ‘উদ্ভাবনী মননে গড়ি স্বপ্নের বাস্তবতা’ স্লোগানকে সামনে রেখে রাবিতে 'রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় উদ্যোক্তা অ্যাসোসিয়েশন' (RUEA) যাত্রা শুরু করেছে।

গত ৯ অক্টোবর উদ্যোক্তা অ্যাসোসিয়েশনের উপদেষ্টা ফোকলোর বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও ছাত্র-উপদেষ্টা ড. মো. আমিরুল ইসলাম, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. এ. কে. এম মাহামুদুল হক টুটুল এবং অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. ফরিদ উদ্দিন খান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ২০২৪-২৫ কার্যবর্ষের ২০ সদস্যদের কমিটি ঘোষণা করা হয়।

এতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হন ফার্মেসি বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের মোঃ আরিফুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে এম. এস. ই বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের রাকিবুল ইসলাম।

বাকিরা হলেন সহ-সভাপতি হিসেবে মুহম্মদ নুরন্নবী রিমন, মো. আবু রাকেশ জয় এবং মাস্তুরা বিনতে মাহমুদা মোহনা, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মো. আমান উল্লাহ, মো. মামুনুর রশিদ, মো. নাদিম হোসেন , সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে হাসিব জাওয়াদ, গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক হিসেব আসাদুল্লা আহমেদ, প্রশিক্ষণ ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে রাকিব রায়হান, প্রচার সম্পাদক হিসেবে ফারহান উদ্দীন, ইভেন্ট অর্গানাইজার হিসেবে নাইম ইসলাম, যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে মোকাররমা কাওসার, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে লাবু হোসেন, দপ্তর সম্পাদক হিসেবে সাজিদ বিন সাইফ, আইটি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে আব্দুল মতিন এবং জায়িদ হাসান জোহা, সাব্বির আহমেদ এবং তালহা নির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হন।

স্থায়ী পরিষদ প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য হিসেবে মনোনীত হয় সরোয়ার জাহান সজিব ( জি.ই.বি-২০১৬-১৭)।

উল্লেখ্য যে, RUEA এর প্রধান লক্ষ্য হলো একটি উন্নত উদ্যোক্তা সংগঠন গড়ে তোলা, যেখানে শিক্ষার্থীরা সৃজনশীল এবং বাস্তবভিত্তিক ব্যবসায়িক ধারণাগুলোর মাধ্যমে নিজেদের কর্মসংস্থান তৈরির পাশাপাশি দেশের বেকারত্ব লাঘবে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। সংগঠনটি সদস্যদের উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনা এবং কৌশলগত দক্ষতা বিকাশে কাজ করবে, যেন তারা প্রতিযোগিতামূলক বাজারে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে।

এর উদ্দেশ্য হলো শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ, নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্ম, উদ্ভাবনী প্রকল্প ও প্রতিযোগিতা, পরামর্শ ও সহযোগিতা, ফান্ডিং ও ফিনান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট সহযোগিতা, বিনিয়োগকারী ও উদ্যোক্তার মধ্যে সেতুবন্ধন সৃষ্টি করা।

আরো উল্লেখ্য যে, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন হয়। আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন আরিফুল ইসলাম (ফার্মেসি ২০১৮-১৯) এবং সদস্য সচিব ছিলেন রাকিবুল ইসলাম (এম.এস.ই ২০২০-২১)। নির্বাহী সদস্য ছিলেন সরোয়ার জাহান সজিব (জি.ই.বি ২০১৬-১৭), মাসতুরা বিনতে মাহমুদ মোহনা (এ.আই.এস ২০১৯-২০), মো: আবু রাকেশ জয় (ফোকলোর ২০১৯-২০), আসাদুল্লাহ আহমেদ (পলিটিকাল সাইন্স ২০১৯-২০), হাসিব জাওয়াদ (গণিত ২০২১-২২), মোকাররমা কাউসার (অর্থনীতি ২০২১-২২), মো: সাজিদ বিন সাইফ (জি.ই.এস ২০২২-২৩)।

আহ্বায়ক কমিটির প্রধান কাজ ছিল গঠনতন্ত্র প্রনয়ণ, প্রাথমিক উপদেষ্টা পরিষদ এবং কার্যকারী কমিটি দেওয়া। প্রাথমিক ভাবে আমাদের সাথে উপদেষ্টা হিসেবে সম্মতি দেয় উপদেষ্টা মন্ডলীর মধ্যে রয়েছেন ছাত্র উপদেষ্টা ড. মো. আমিরুল ইসলাম (সহযোগী অধ্যাপক, ফোকলোর বিভাগ), ড. রাকিবুল ইসলাম নীরব (সহকারী অধ্যাপক, ব্যাংকিং এন্ড ইন্সুরেন্স), এ. কে. এম মাহামুদুল হক টুটুল (অধ্যাপক, রাষ্ট্র বিজ্ঞান), ড. ফরিদ উদ্দিন খান (অধ্যাপক, অর্থনীতি)। এছাড়াও প্রশাসনিক ব্যক্তিবর্গ গঠনতন্ত্র অনুযায়ী এই সংস্থার উপদেষ্টা হিসেবে বিবেচিত হবে।

জামালের হাত থেকে জমি রক্ষা করার দাবিতে রাখাইনদের মানববন্ধন

জামালের হাত থেকে জমি রক্ষা করার দাবিতে রাখাইনদের মানববন্ধন

Post Image

বরগুনা জেলা প্রতিনিধি: বরগুনা জেলার রাখাইন অধ্যুষিত তালতলীতে ভূমিদস্যু জামাল শিকদারের হাত থেকে জমি ও ফসল রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন রাখাইনসহ বিভিন্ন জাতি ধর্মের মানুষ।

শনিবার (১২ অক্টোবর) সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে তালতলী বাজারে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধন করেন রাখাইন,হিন্দু,মুসলিম সম্প্রদায়ের শতাধিক মানুষ।

এ সময় ভুক্তভোগী টেনটেন বলেন, উপজেলার ৪৪নং বড়বগী মৌজার এস.এ ৬৬০ নং খতিয়ানের ৪০৭, ৫০৪ নং দাগের পৈত্রিক ওয়ারিশ, রেকর্ডীয় ও ক্রয়সূত্রে সম্পত্তির মালিক আমি। কিন্তু স্থানীয় জামাল সিকদার,জাকির সিকদার গং মিলে দেশীয় অস্ত্র সস্ত্র নিয়ে আমার জমি জোর করে দখলের চেষ্টা করছে।

এ বিষয়ে বিভিন্ন জায়গায় লিখিত অভিযোগ দিলেও কোন ফলাফল পাওয়া যায়নি। যেকোন সময় জামাল সিকদার গং আমাদের উপর সন্ত্রাসী হামলা ও জমি দখল করতে পারে। এই ভূমিদস্যুর হাত থেকে আমি বাঁচতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

তবে সকল অভিযোগ অস্বীকার করে জামাল সিকদার বলেন, আমরা কারও জমি দখলের চেষ্টা করিনি। উল্টো আমাদের রেকর্ডিয় জমি বুঝিয়ে দেওয়া হচ্ছেনা। এই টেনটেন আমাদের জমি নিয়ে তালবাহানা করছে।

তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ কালাম খান বলেন, তালতলী থানায় আমি নতুন যোগদান করেছি। এখনো এ বিষয় অবগত না। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নিবো।