শেখ হাসিনার সঙ্গে ফোনে কথা, আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা

শেখ হাসিনার সঙ্গে ফোনে কথা, আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা

Post Image

জেলা প্রতিনিধি: সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ফোনে কথা বলে অন্তর্বর্তী সরকারকে উৎখাতের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হওয়ার অভিযোগে বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. জাহাঙ্গীর কবির(৭০) এর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) বরগুনা সদর থানার পরিদর্শক (এসআই) শামীম আহম্মেদ বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলার অভিযোগে বলা হয়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে মো. জাহাঙ্গীর কবিরের কথোপকথনটি বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অংশ বলে দাবি করেন বাদী। বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুর হাসান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। পরে ১২ আগস্ট তার সঙ্গে জাহাঙ্গীর কবিরের একটি ফোনালাপের অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

এ ঘটনার পর ঢাকা থেকে আসা পুলিশের একটি দল, বরগুনা সদর থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশ যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে জাহাঙ্গীর কবিরকে তার নিজ বাসা থেকে আটক করে।

মামলার এজাহারে বাদী অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনার সঙ্গে জাহাঙ্গীর কবিরের ফোনালাপের অডিওটি যড়যন্ত্রের অংশ। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারকে উৎখাত করার জন্য বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবিরের নেতৃত্বে ১০ আগস্ট বরগুনা শহরে বিক্ষোভ মিছিল হয়। সেই মিছিল-সমাবেশ থেকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জাহাঙ্গীর কবিরের বাসায় যান। পাল্টা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তারা বর্তমান সরকারকে উৎখাত করার হুমকি দেন প্রকাশ্যে। সেই যড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে গত ১২ আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে জাহাঙ্গীর কবিরের কথা হয়। এই ঘটনা বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুসারে রাষ্ট্রদ্রোহের অপরাধ।

বরগুনা সদর থানার ওসি জগলুর হাসান বলেন, জাহাঙ্গীর কবির পৃথক দুটি চাঁদাবাজি মামলায় বরগুনা জেলা কারাগারে আছেন।

কাজীপাড়ায় রহস্যময় ব্যানার: বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সহযোদ্ধার বাসভবন ঘিরে কৌতূহল ও তোলপাড়

কাজীপাড়ায় রহস্যময় ব্যানার: বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সহযোদ্ধার বাসভবন ঘিরে কৌতূহল ও তোলপাড়

Post Image

মো: নাজমুল, পটুয়াখালী প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর কাজীপাড়া রোডে একটি রহস্যময় ব্যানারকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে শুরু হয়েছে আলোড়ন।

সম্প্রতি একটি বাসার সামনে টাঙানো ব্যানারে লেখা রয়েছে, "বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ২৪ এর সহযোদ্ধার বাসভবন"। ব্যানারে থাকা ঠিকানা অনুযায়ী, এটি কাজীপাড়া রোডের একটি বাসা। তবে এই ব্যানার এবং এর পেছনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে কোনো স্পষ্ট ধারণা এখনও পাওয়া যায়নি, যা সাধারণ মানুষের মনে কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে।

ব্যানারটির ছবি ইতোমধ্যে অসংখ্য ফেসবুক ব্যবহারকারীর প্রোফাইল থেকে শেয়ার করা হয়েছে। অনেকেই এই ঘটনাকে রহস্যজনক এবং অজানা কোনো আন্দোলনের অংশ হিসেবে সন্দেহ করছেন। সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন উঠেছে—"বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ২৪" আসলে কী? এর সহযোদ্ধারা কারা এবং কেন এই বাসার সামনে এই ধরনের একটি ব্যানার টাঙানো হয়েছে?

বুলেটিন বার্তার একজন প্রতিনিধি ঘটনার পরপরই কাজীপাড়া এলাকায় উপস্থিত হন এবং স্থানীয়দের সাথে কথা বলেন। তবে স্থানীয় বাসিন্দারা এ বিষয়ে তেমন কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারেননি। কেউ কেউ বলেছেন, এই বাসায় নতুন কেউ আসার সম্ভাবনা রয়েছে, তবে ব্যানারের সাথে এর কোনো সম্পর্ক আছে কিনা তা নিশ্চিত নয়। স্থানীয়রা এই ব্যানার এবং এর পেছনের ঘটনাটি সম্পর্কে পুরোপুরি অন্ধকারে রয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তোলপাড় এবং এলাকাবাসীর রহস্যময় নীরবতা মিলে এই ব্যানারকে ঘিরে ঘটনার গুরুত্ব আরও বাড়িয়েছে। অনেকেই ধারণা করছেন, এটি হয়তো একটি রাজনৈতিক বা সামাজিক আন্দোলনের প্রাথমিক প্রচারণা হতে পারে। আবার কেউ কেউ এটিকে ব্যক্তিগত উদ্যোগের অংশ হিসেবে দেখছেন। তবে কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা না আসা পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা চলতেই থাকবে বলে মনে করছেন অনেকে।

এদিকে, স্থানীয় প্রশাসনও বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসেছে। ইতোমধ্যে তারা ঘটনাটি তদন্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানা গেছে। তবে তারা এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রদান করেনি। রহস্যময় ব্যানারটি কী উদ্দেশ্যে টাঙানো হয়েছে, তা জানতে হয়তো আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে।

এই রহস্যের জট খোলার অপেক্ষায় রয়েছে পুরো এলাকাবাসী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা যেমন তীব্র হচ্ছে, তেমনি বিষয়টির সমাধান নিয়ে সাধারণ মানুষের কৌতূহলও ক্রমশ বাড়ছে।

ছবি: সংগ্রহীত

পটুয়াখালী জেলার সকল পৌরসভার কাউন্সিলরকে অপসারণ

পটুয়াখালী জেলার সকল পৌরসভার কাউন্সিলরকে অপসারণ

Post Image

মো: নাজমুল, পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি: পটুয়াখালী জেলার সকল পৌরসভার কাউন্সিলরদের অপসারন করা হয়েছে।



২৬ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সরকার বিভাগ একটি প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করে। যাতে বলা হয়েছে পটুয়াখালী জেলা সহ আরো অনেক জেলার কাউন্সিলরদের তাদের পদ থেকে অপসারণ করা হয়েছে। পটুয়াখালী জেলার মধ্যে যেসব পৌরসভা রয়েছে(পটুয়াখালী পৌরসভা, গলাচিপা পৌরসভা, কলাপারা পৌরসভা, বাউফল পৌরসভা) সকল কাউন্সিলর গন তাদের পদ থেকে আর দায়িত্ব পালন করতে পারবে না।

রগ কাটার সব অপরাধ ছাত্রলীগের নামে, শিবিরের নামে কোনো নথি নেই: ছাত্রশিবির সম্পাদক

রগ কাটার সব অপরাধ ছাত্রলীগের নামে, শিবিরের নামে কোনো নথি নেই: ছাত্রশিবির সম্পাদক

Post Image

ঢাবি প্রতিনিধি : ছাত্রশিবিরের নামে রগ কাটার যে অভিযোগ রয়েছে, সে বিষয়ে কোনো নথি নেই।

বরং গুগলে সার্চ করলে রগ কাটার সব অপরাধ ছাত্রলীগের নামে পাওয়া যাবে বলে মন্তব্য করেছেন ছাত্রশিবিরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক এস এম ফরহাদ।

বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি ক্যাফেটেরিয়ায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব বক্তব্য দেন।

ফরহাদ বলেন, সরকার আমাদের বিষয়ে একটা ভীতি তৈরি করেছে, আমাদের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের আত্মপ্রকাশের পর তা একেবারেই ভেঙ্গে গেছে। কারণ আমরা শিক্ষার্থীদের সাথেই ছিলাম। দীর্ঘ ৫ বছর আমাদের যারা পর্যালোচনা করেছেন, তারা এখন প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন।

তিনি বলেন, ২০০৮ সালের নির্বাচনে ক্ষমতায় আসার পর আওয়ামীলীগ ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠায় কিছু প্রধান বাধা মনে করে। সেকারণে প্রথমে তারা সেনাবাহিনীকে হত্যা করে। তারপর তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী বাধা মনে করে ছাত্রশিবিরকে। এমনও হয়ছে যে, কেউ নামাজ পড়ছে এমন অবস্থায় তুলে নিয়েও বলেছে ‘অস্ত্রসহ আটক’।

গত কয়েকবছর কেন গোপনে রাজনীতি করার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ২০০৯ সাল পর্যন্ত ছাত্রশিবির প্রকাশ্যে রাজনীতি করেছিল। এরপরও যেখানে সম্ভব হয়েছে, সেখানে প্রকাশ্যে রাজনীতি করেছে। আমাদের শত শত দায়িত্বশীল এখনো গুম রয়েছেন। আমাদের পূর্ববর্তী কয়েকটি কমিটির সদস্যদের ক্রয়ফায়ার দেওয়া হবে এবং পরের কেউ হত্যার ভয়ে পরিচয় প্রকাশ করতে পারবে না- (এমন পরিস্থিতিতে) একটি মজলুম সংগঠনকে পরিচয় কেন গোপন করা হয়েছিল এই প্রশ্ন করাটা বড় অন্যায়।

৯ দফার সম্পৃক্ততার বিষয়ে তিনি বলেন, এই আন্দোলনটা সকল মানুষের ছিল। বিভিন্ন নেতাকর্মীরা নিজেদের দলের পরিচয় ভুলে গিয়ে সামর্থ অনুযায়ী এখানে শামিল হয়েছেন। ছাত্রশিবিরও তার রিসোর্স নিয়ে আন্দোলনে অংশ নিয়েছে। কোনটা কার পরিকল্পনা, কীভাবে তা বাস্তবায়ন হয়েছে- এসব কৃতিত্ব নেওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের স্পিরিটের সাথে যায় না। এখানে ছাত্রদল, বাম ছাত্র সংগঠনের শিক্ষার্থীরা অংশ নিয়েছে।

ছাত্রলীগের সাথে সম্পৃক্ততার বিষয়ে ফরহাদ বলেন, ছাত্রলীগের কমিটির কিছু প্রক্রিয়া আছে। আমি কখনো সেসব প্রক্রিয়া অনুসরণ করিনি। কখনো সিভি জমা দেইনি। তবুও কেন আমাকে পদ দিল, সে প্রশ্ন ছাত্রলীগকে করা উচিত। বিতর্ক সংসদের সাথে সম্পৃক্ত থাকার কারণে ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতার সাথে আমার ছবি দেখা গেছে। আমি কেবল আয়োজক হিসেবে ছিলাম।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের মনে রাজনীতি নিয়ে এখন যে চিন্তাগঠন আছে, এটা গত ১৫ বছরে ফ্যাসিবাদি বয়ানের আউটপুট। তারা দেখেছে, ছাত্ররাজনীতি মানে নেতাকে প্রটোকল দেওয়া, হলে আসন বণ্টন করা, ভিন্নমতকে নির্যাতন করা এবং কেউ কথা বলতে না পারা। কিন্তু আমূল সংস্কারের পর এসব পরিবেশ পরিবর্তন হলে শিক্ষার্থীরা রাজনীতি গ্রহণ করবে।

রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের কবলে বিএনপি নেতা মিল্লাত

রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের কবলে বিএনপি নেতা মিল্লাত

Post Image

শেরপুর জেলা প্রতিনিধি: শেরপুর জেলার অন্তর্গত শ্রীবরদী উপজেলা রাণীশিমুল ইউনিয়নের বিএনপি এর সাংগঠনিক সম্পাদক মিল্লাত হোসেন আকন্দের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজী, হত্যার হুমকির অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে স্থানীয় সাধারণ জনতা।

রাজনৈতিকভাবে বিএনপি নেতা মিল্লাত হোসেন আকন্দকে কোনঠাসা করার জন্য এই মিথ্যা অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলে মনে করেন তারা। রাণীশিমুল ইউনিয়ন ৬ নং ওয়ার্ডের সদস্য আলহাজ্ব নুরুল হক বি এন পি এর সাংগঠনিক সম্পাদক মিল্লাত হোসেন আকন্দের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও হত্যার হুমকির কথা উল্লেখ করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও শ্রীবরদী থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দেয়।

এ বিষয়ে টেংগরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা গোলাম মাওলা মালু জানান, মিল্লাত হোসেন আকন্দ ইউনিয়নের সবচেয়ে জনপ্রিয় মুখ। অন্যায়, জুলুম নির্যাতনের বিরুদ্ধে সে সর্বদায় সোচ্চার ছিলেন। হাসিনার শাসনামলে তিনি একাধিকবার কারাবরণ করেছেন। ছাত্র আন্দোলনে আওয়ামী লীগের পতনের পর ভায়াডাংগায় বিভিন্ন পর্যায়ে চাঁদাবাজি বৃদ্ধি পেলে মিল্লাত হোসেন আকন্দ সেগুলোর বাধা প্রদান করেন। এর প্রেক্ষিতেই প্রকৃত চাঁদাবাজ লুটতারাজরা রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য মিল্লাত হোসেন আকন্দের বিরুদ্ধে এমন মিথ্যা অভিযোগ এনেছে।

বিলভরট গ্রামের বাসিন্দা আতাউল্লাহ সিদ্দিক পলাশ বলেন, মিল্লাত হোসেন আকন্দ গণমানুষের নেতাতে পরিণত হয়েছে। রাজনৈতিক স্বার্থবাদী একটা গ্রুপ তার জনপ্রিয়তাকে ধুলিসাৎ করতে এই মিথ্যা বানোয়াট অভিযোগ প্রণয়ন করেছে। তিনি আরো জানান,নুরুল হককে ব্যবহার করে স্থানীয় বি এন পি এর শাকিল তালুকদার, দিনার কাজি, আসু ঠাকুরসহ একটা অংশ রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে মিল্লাত হোসেন আকন্দকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। যা রাণীশিমুল ইউনিয়নবাসী কখনোই হতে দেবেনা।

শ্রীবরদী উপজেলার সাবেক ছাত্রদল নেতা শামিম কবির বলেন, মিল্লাত হোসেন আকন্দ তার কর্মস্থল থেকে উপার্জন করে। তার সম্পর্কে ইউনিয়নবাসী স্পষ্টভাবে অবগত আছে। তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের পুরোটা ষড়যন্ত্র বলেই আমরা বিশ্বাস করি।

ভুক্তভোগী বিএনপি নেতা মিল্লাত হোসেন আকন্দ বলেন, আমি আমার জীবনের বৃহৎ অংশ জালিমের কারাগারে কাটিয়েছি। অন্যায়ের সাথে কখনো মাথা নত করেনি। চাঁদাবাজরা ভায়াডাংগায় মুক্তিযোদ্ধা অফিস দখল, সরকারি গাছকাটা, মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে অবৈধভাবে ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়া অব্যাহত রাখলে আমি বাঁধা দেয়। আওয়ামী শাসনামলে আলহাজ্ব নুরুল হকের ষড়যন্ত্রে আমি ৪ মাস কারাবরণ করি। নুরুল হক আমার সঙ্গে এনিয়ে কথা বলতে আসলে আমি তাকে চলে যেতে বলি। পরবর্তীতে এ ঘটনাকে বিকৃতকরে রাজনৈতিকভাবে আমাকে হেয় করার জন্য চাঁদাবাজ লুটতরাজরা এ মিথ্যা অভিযোগ করেন।

নুরুল হকের অভিযোগে সাক্ষ্য দেওয়া (সংবাদ পত্রে নাম উল্লেখ করা হয়) রাণিশমূল ইউনিয়নের বি এন পি এর সহ সভাপতি মীর রোকনুজ্জামান লাখু বলেন, আমি এ সম্পর্কে কোন কিছুই জানিনা। আমার নাম কেন ব্যবহার করা হলো এটাই আমার বোধগম্য নই।

ইউপি মহিলা সদস্য আফরোজা বেগম বলেন, বিষ্ণপুরের ব্যবসায়ী মোতালেব এর কাছ থেকে চাঁদা নেওয়া বিষয়টা সম্পুর্ন মিথ্যা। মিল্লাত হোসেন ব্যবসায়িক বাবদ মোতালেবের কাছে লক্ষাধিক টাকা পেতেন। মোতালেব সেই টাকা দিতে বিলম্ব করতেছিলো। তখন আমি মধ্যস্থাকারী হিসেবে সেটার সমাধান করি। মিল্লাত হোসেন তার কাছ থেকে পাওনা টাকার একটা অংশ গ্রহণ করে বাকিঅংশের দাবি ছেড়ে দেন।

সতেরো বছর পর বরগুনায় প্রকাশ্যে জামায়াতের সম্মেলন

সতেরো বছর পর বরগুনায় প্রকাশ্যে জামায়াতের সম্মেলন

Post Image

বরগুনা জেলা প্রতিনিধি: দীর্ঘ ১৭ বছর পর বরগুনার তালতলীতে জামায়াতে ইসলামীর সিরাতুন্নবী (সাঃ) আলোচনা ও কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) উপজেলার মডেল মসজিদে এ কর্মী সমাবেশ উপলক্ষ্যে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

তালতলী উপজেলা শাখার জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা মোঃ আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিশে সূরা সদস্য ও বরগুনা জেলা আমীর অধ্যাপক মাওলানা মোঃ মুহিবুল্লাহ হারুন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা আফজালুর রহমান, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আসাদুজ্জামান আল-মামুন, উপজেলা শাখা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা শাহ জালাল পিয়াদা প্রমুখ। এছাড়াও জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, আওয়ামী-বাকশালীরা আমাদের প্রথমসারির সকল নেতাকে মিথ্যা ও বানোয়াট মামলায় ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। অসংখ্য নেতাকর্মীকে গুম-খুন করা হয়েছে। এমন কোনো জুলুম-নির্যাতন নেই, যা আমাদের ওপর চালানো হয়নি। কিন্তু তারা জামায়াতের অগ্রযাত্রা কোনোভাবেই রোধ করতে পারেনি। এসময় বক্তারা আরও বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকার পতনের আগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদেরকে পাখির মতো গুলি করে হত্যার বিচার দাবি করেন তারা।

ঢাবিতে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সকল প্রকার রাজনীতি নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত

ঢাবিতে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সকল প্রকার রাজনীতি নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত

Post Image

ঢাবি প্রতিনিধি : ক্যাম্পাসে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সকল প্রকার রাজনীতি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে উপাচার্য লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সিন্ডিকেট মিটিংয়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সিন্ডিকেট সদস্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই সিন্ডিকেট সদস্য জানান, আজ (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যা সাতটা থেকে রাত পৌনে ৯টা পর্যন্ত উপাচার্য লাউঞ্জে একটি জরুরি সিন্ডিকেট মিটিং হয়। সেখানে ২ ঘণ্টা আলোচনার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ঢাবিতে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সকল প্রকার রাজনীতি নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত

ঢাবিতে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সকল প্রকার রাজনীতি নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত

Post Image

ঢাবি প্রতিনিধি : ক্যাম্পাসে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সকল প্রকার রাজনীতি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে উপাচার্য লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সিন্ডিকেট মিটিংয়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সিন্ডিকেট সদস্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই সিন্ডিকেট সদস্য জানান, আজ (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যা সাতটা থেকে রাত পৌনে ৯টা পর্যন্ত উপাচার্য লাউঞ্জে একটি জরুরি সিন্ডিকেট মিটিং হয়। সেখানে ২ ঘণ্টা আলোচনার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

পটুয়াখালী যুবদলের তিন নেতা বরখাস্ত

পটুয়াখালী যুবদলের তিন নেতা বরখাস্ত

Post Image

মো:নাজমুল,পটুয়াখালী প্রতিনিধি: পটুয়াখালী জেলা যুবদলের তিন নেতাকে দলের প্রাথমিক সদস্য পদ সহ দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করেছে কেন্দ্রীয় যুবদল।

দলীয় শৃঙ্খলা পরীপন্থী কর্মকান্ঠে জড়িত থাকার কারণে পটুয়াখালী সহ-সভাপতি সহ আরো ২ নেতাকে দল থেকে বহিস্কার করা হয়েছে।

১৮ সেপ্টেম্বর (বুধবার) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তাদেরকে বহিস্কৃত করা হয়েছে। জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্র নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছেন।

স্বৈরাচারকে ঘৃণা করি তাই বলে জিন্নাহকে ভালোবাসবো না

স্বৈরাচারকে ঘৃণা করি তাই বলে জিন্নাহকে ভালোবাসবো না

Post Image

বাউফল উপজেলা প্রতিনিধি: আরো অনেক কিছু শিখতে হবে, দেখতে হবে এই বাঙালি জাতি থেকে।

স্বৈরাচারকে ঘৃণা করি। আমার ভারতকে অপছন্দ। তাই বলে আমি পাকিস্তানকে ভালোবাসবো..? ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাকে আমরা অস্বীকার করতে পারি না। যে স্বৈরাচার এই স্বাধীনতাকে বিকৃত করছে তাকে আমিও ঘৃণা করি। কিন্তুু যারা আমার দেশের ৩০ লক্ষ মানুষকে হত্যা করছে, যারা আমার দেশের ২ লক্ষ মা বোনের ইজ্জত কেড়ে নিছে সেই পাকিস্তান জাতির প্রতি আমরা কি করে ভালোবাসা দেখাতে পারি। মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ আমাদের মাতৃভাষা কেড়ে নিতে চাইছিল তার আজ মৃত্যুবার্ষিকী পালন হচ্ছে এই বাংলাদেশ। বাহ কত সুন্দর। পাকিস্তান জাতি মানে সবাই খারাপ। আমি এমনটি বলি না। কই ইমরান খান তো বাংলাদেশ নিয়ে কথা বলে। তাকে নিয়ে কিছু বলেন না কিংবা করেন না। তাহলে যে আমাদের মুখের ভাষা কেড়ে নিতে চাইছে তার মৃত্যুবার্ষিকী উদযাপন হয় বাংলাদেশে। ৩০ লক্ষ শহিদদের অবদানকে সত্যিই ভুলে যাবার। স্বৈরাচারকে ঘৃনা করি,,,,ঠিক তার চেয়ে বেশি ঘৃনা করি সেই পাকিস্তানিদের যারা বাংলাদেশের মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করছে। এখন অনেকে বলবেন, তিনি মুশলিম তাকে আমরা মুসলমানরা ভালোবাসবো। তো বলি কি ভাই, পাকিস্তানিরা তো মুশলিম হয়ে আমার দেশের মুশলিমদের কি করে মারলো। উওর দিয়ে যাবেন। তখন তাদের ভালোবাসা কই ছিল...?

বাউফলের প্রকৃত ছাত্রসমাজ আজ মূল্যহীন

বাউফলের প্রকৃত ছাত্রসমাজ আজ মূল্যহীন

Post Image

মো:নাজমুল,বাউফল উপজেলা প্রতিনিধি: আমার সোনার বাংলায় বৈষম্যের ঠাই নাই।

এই স্লোগানকে সামনে রেখে। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন এক গণঅভ্যুত্থানে মাধ্যমে স্বৈরাচার সরকার শেখ হাসিনার পতন ঘটিয়েছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সারা বাংলাদেশে ছাত্র জনতা বিশাল আন্দোলন গড়ে তুলেছিল।তারই ধারাবাহিকতায় পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলার সাধারণ ছাত্র সমাজ আন্দোলন গড়ে তুলেছিল। আন্দোলনে যোগ দিয়েছিল বাউফল সরকারি কলেজের ছাত্রছাত্রীসহ সর্বস্তরের ছাত্র সমাজ। কিন্তু যখন ছাত্র জনতার বিজয় হলো তখন যেন সুর একটা পাল্টে গেল।যেই সকল ছাত্র-ছাত্রী বন্দুকের সামনে গিয়ে আন্দোলন করেছিল তারা এখন চুপ হয়ে গেছে। অনেকটাই মূল্যহীন তারা।বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের চাঁপা নলে তাদের অবস্থা না বলার মত। রাজনৈতিক দলগুলো দাবি করছে তারা স্বৈরাচার হাসিনাকে পতন ঘটিয়েছে। কিন্তু এই কথাহীন বলে মনে করছেন বাউফলের ছাত্র সমাজ । এই বিষয় নিয়ে বাউফল সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ফারহান রুপাইয়ের সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা তাদের জীবন বাজি রেখে আন্দোলন করেছিল। কিন্তু এখন তার অনেকটাই মূল্যহীন হয়ে পড়ছে। কিন্তু বুলেটিনবার্তা লক্ষ্য করে বাউফলের একদল ছাত্রসমাজ জনগণের উন্নয়নে এগিয়ে আসে। কিন্তু বিভিন্ন কারণে তারা চুপ হয়ে যাচ্ছে এই ছাত্ররা চাইলে বাউফল কে সুন্দর সাবলীল করে গড়ে তুলতে পারে।

৫৫ সদস্যবিশিষ্ট জাতীয় নাগরিক কমিটির আত্মপ্রকাশ

৫৫ সদস্যবিশিষ্ট জাতীয় নাগরিক কমিটির আত্মপ্রকাশ

Post Image

ঢাবি প্রতিনিধি: ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ ঘটিয়ে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ৫৫ সদস্য বিশিষ্ট জাতীয় নাগরিক কমিটি আত্মপ্রকাশ করে।

আজ রবিবার বিকাল ৪.৩০ মিনিট কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে ছাত্র জনতার উপস্থিতিতে এ কমিটির ঘোষণা করা হয়।অনুষ্ঠানের শুরুতে জুলাই-আগস্টের ‘শহীদদের’ স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয় এবং শহিদ আহনাফ আবিরের বোন সৈয়দা আক্তার ও শহিদ রায়হান হোসেন সাদ্দামের বোন স্বর্ণা আক্তারের বক্তব্য প্রদানের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটির সূচনা হয়। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আহ্বায়ক, আখতার হোসেনকে সদস্য সচিব এবং সামান্তা শারমিনকে মুখপাত্র করে সংগঠনটি যাত্রা শুরু করে। আহ্বায়ক নাসিরউদ্দীন পাটোয়ারী কমিটি ঘোষণা করেন। তিনি বলেন "এই কমিটি এখনও পূর্ণাঙ্গ নয়, এই কমিটি বর্ধিত করা হবে।আমরা অতি শিগগিরই পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করবো। এটিকে আমরা গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত নিয়ে যাবো। আমাদের কমিটির কার্যক্রম নিয়ে যা কিছু বলার আমাদের মুখপাত্র সামন্তা শারমিন বলবে। তার বাইরে কেউ কিছু বললে তার দায়ভার আমরা নেবো না" কমিটির প্রাথমিক কাজ নিয়ে সামান্তা শারমিন বলেন, আহ্বায়ক কমিটির প্রাথমিক কাজগুলো হচ্ছে- ১.ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে প্রতিফলিত হওয়া সামষ্টিক অভিপ্রায় ও গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে সমুন্নত রাখা। ২.ছাত্র-জনতার উপর সংঘটিত নির্মম হত্যাযজ্ঞে জড়িতদের বিচারের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কর্মসূচী গ্রহণ করা। ৩. রাষ্ট্রের জরুরি সংস্কার ও পুনর্গঠন করার লক্ষ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাথে সহযোগিতা ও জবাবদিহিতার পরিসর তৈরি করা। ৪. বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক উদ্যোগের সাথে আলোচনা, মত বিনিময় ও গণমুখী কর্মসূচীর মাধ্যমে সর্বস্তরের জনতাকে সংহত করার লক্ষ্যে কাজ করা। ৫. দেশের সর্বস্তরের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় নেতৃত্বকে সংহত করে গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা সমুন্নত করে রাখার লক্ষ্যে ফ্যাসিবাদী কাঠামো ও শক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ অব্যাহত রাখা। ৬. জনস্বার্থের পক্ষে নীতি নির্ধারণের লক্ষ্যে বিভিন্ন শ্রেনি পেশার মানুষ এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের সাথে বিষয়ভিত্তিক সংলাপের আয়োজন করা। ৭. রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহ পুনর্গঠনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় নীতি নির্ধারণী প্রস্তাবনা তৈরি ও সেটা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় রাজনৈতিক পদক্ষপে গ্রহণ করা ৮. গণপরিষদ গঠন করে গণভোটের মাধ্যমে নতুন গণতান্ত্রিক সংবিধান তৈরির জন্য গণআলোচনার আয়োজন করা। এছাড়া অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন, আরিফুল ইসলাম আদীব, সাইফ মোস্তাফিজ, মনিরা শারমিন, নাহিদা সারোয়ার চৌধুরি, সারোয়ার তুষার, মুতাসিম বিল্লাহ, আশরাফ উদ্দিন মাহদি, আলাউদ্দিন মোহাম্মদ, অনিক রায়, জাবেদ রাসিন, মো. নিজাম উদ্দিন, সাবহানাজ রশীদ দিয়া, প্রাঞ্জল কস্তা, মঈনুল ইসলাম তুহিন, আব্দুল্লাহ আল আমিন, হুযাইফা ইবনে ওমর, শ্রবণা শফিক দীপ্তি, সায়ক চাকমা, সানজিদা রহমান তুলি, আবু রায়হান খান, মাহমুদা আলম মিতু, অলিক মৃ, সাগুফতা বুশরা মিশমা, সৈয়দ হাসান ইমতিয়াজ, তাসনিম জারা, মোহাম্মদ মিরাজ মিয়া, মো. আজহার উদ্দিন অনিক, মো. মেসবাহ কামাল, আতাউল্লাহ, এস. এম. শাহরিয়ার, মানজুর- আল- মতিন, প্রীতম দাশ, তাজনূভা জাবীন, অর্পিতা শ্যামা দেব, মাজহারুল ইসলাম ফকির, সালেহ উদ্দিন সিফাত, মুশফিক উস সালেহীন, তাহসীন রিয়াজ, হাসান আলী খান, মো. আব্দুল আহাদ, ফয়সাল মাহমুদ শান্ত, মশিউর রহমান, আতিক মুজাহিদ, তানজিল মাহমুদ, আবদুল্ল্যাহ আল মামুন ফয়সাল, মো. ফারহাদ আলম ভূঁইয়া, এস.এম. সুজা, মো. আরিফুর রাহমান, কানেতা ইয়া লাম লাম, সৈয়দা আক্তার, স্বর্ণা আক্তার, সালমান মুহাম্মাদ মুক্তাদির ও আকরাম হুসেইন।

দলীয় কোন্দল নিরসন করে মাঠ গোছাতে ব্যস্ত বিএনপি, আত্মগোপনে আ’লীগ

দলীয় কোন্দল নিরসন করে মাঠ গোছাতে ব্যস্ত বিএনপি, আত্মগোপনে আ’লীগ

ছবি: সংগৃহীত 

বরগুনা জেলা প্রতিনিধি :

বরগুনা জেলার তালতলী উপজেলা বিএনপির দলীয় কোন্দল নিরসন করে ভোটের মাঠ গোছাতে ব্যস্ত বিএনপি, আত্মগোপনে আওয়ামী লীগ।


ছাত্র জনতার আন্দোলনের মুখে গত ৫ আগষ্ট শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পরে তালতলীতে উজ্জীবিত হয়ে  রাজনৈতিক মাঠ দখলে বিএনপি ও ইসলামি দল গুলো। বরগুনার দুটি নির্বাচনী এলাকার বরগুনা সদর বরাবরই আওয়ামী লীগের দখলে থাকে কিন্তু এবছর ভিন্ন রুপ দেখতে পাচ্ছেন সাধারণরা।বিএনপির কেন্দ্রীয় ও জেলা নেতাদের পদচারণায় এই আসন দখলের সকল কাজ তারা চালিয়ে যাচ্ছে।অন্য দিকে ইসলামি দল গুলো চাচ্ছে এই সুযোগে তারা বরগুনা সদর আসন দখলে নিতে।কিন্তু আওয়ামী লীগ আত্মগোপন করে আছেন।

তালতলী উপজেলা বিএনপির সদ্য বহিস্কৃত সদস্য সচিব মিয়া মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক বলেন তালতলী উপজেলা বিএনপির মধ্যে দলীয় কোন কোন্দল নেই যেটা রয়েছেন তা স্থানীয় ভোটের রাজনীতিতে নিজেদের মধ্যে মনমালিন্য। 


তালতলী উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও উদীয়মান তরুন বিএনপি নেতা আতিকুর রহমান অসিম বলেন তালতলী উপজেলা বিএনপির দলীয় কোন্দল কিছুটা রয়েছে এর কারন হচ্ছে জেলা বিএনপির দীর্ঘ দিন কমিটি না থাকায়, আমরা আশা করি খুব শীঘ্রই বরগুনা জেলা কমিটি কেন্দ্র থেকে ঘোষণা হবে। তারপর তালতলী উপজেলা বিএনপির দলীয় কোন্দল নিরসন হবে ইনশাল্লাহ। 

তালতলী উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মোঃ শহিদুল হক কে মুঠোফোনে কল দিলও তাকে পাওয়া যায়নি।

বরগুনা জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক তালিমুল ইসলাম পলাশ বলেন আমাদের জেলা কমিটি খুব শীঘ্রই হবে তারপর তালতলী, আমতলী সহ যেসকল উপজেলায় কিছুটা সমস্যা রয়েছে সমাধান হবে। 

তালতলী উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাদের সাথে কোন ভাবেই যোগাযোগ করা সম্ভব হয় নি।