বিদেশি শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের দায়ে বাকৃবি অধ্যাপক সাময়িক বরখাস্ত

বিদেশি শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের দায়ে বাকৃবি অধ্যাপক সাময়িক বরখাস্ত

Post Image

বাকৃবি প্রতিনিধি: মালয়েশিয়ান শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের ঘটনায় অভিযুক্ত কৃষি অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. হারুণ-অর-রশিদকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) প্রশাসন।

বুধবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, 'সোমবার বিকেলে অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের এক জরুরি সিন্ডিকেট সভায় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন ও সুপারিশের প্রেক্ষিতে অধ্যাপক ড. মো. হারুণ-অর-রশিদকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ইতিমধ্যে অধ্যাপক ড. মো. হারুণ-অর-রশিদকে শোকজ বা আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য ১০ দিনের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।'

ওই বিচারের পাশাপাশি বিগত বছরের যৌন হয়রানির বিষয়গুলো খতিয়ে দেখার জন্য সিন্ডিকেটে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এদিকে সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের লিগাল এইড উপ-পরিষদ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনসহ  বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। এছাড়া বাংলাদেশে মালয়েশিয়ান দূতাবাস তদন্তের ফলাফল জানতে চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে চিঠি পাঠিয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২৫ সেপ্টেম্বর ড. হারুণ এর বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অনুষদে অধ্যয়নরত মালয়েশিয়ান এক নারী শিক্ষার্থী। অভিযোগের প্রেক্ষিতে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটির কাজ চলাকালীন বিভিন্ন সময় ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

তালতলীতে ২ বিএনপি কর্মীর ওপর হামলার বিচার দাবি

তালতলীতে ২ বিএনপি কর্মীর ওপর হামলার বিচার দাবি

Post Image

বরগুনা প্রতিনিধিঃ বরগুনার তালতলীতে বিএনপি’র জহিরুল হক ছোট্ট ও ইমরান হোসেন ফোরকানের ওপর সাবেক যুবলীগ নেতা নজরুল ইসলাম লিটুর নেতৃত্বে সন্ত্রাসী হামলার বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন উপজেলা বিএনপি'র আহবায়ক শহিদুল হকসহ ভুক্তভোগি পরিবার।

বুধবার(০২ অক্টোবর) বেলা ১১ টার দিকে তালতলী প্রেসক্লাবের হল রুমে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ১৭ বছরে বিএনপি’র কোনো দলীয় কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহন করেন নাই কিন্তু ৫ আগষ্টের সরকার পতনের পরেই ৮ আগষ্ট মাথাচারা দিয়ে উঠছেন ফরহাদ হোসেন আক্কাস মৃধা। তিনি এলাকার চিহ্নিত আওয়ামী সন্ত্রাসী ও সাবেক যুবলীগ নেতা নজরুল ইসলাম লিটুর বাহিনীকে দলে প্রবেশ করিয়ে দখলদারি, চাঁদাবাজ ও বিএনপির আন্দোলন সংগ্রামে অংশগ্রহণকারী ও ত্যাগী নেতাকর্মীদের উপর বর্বরোচিত হামলা চালিয়ে দলকে দুর্বল করার আওয়ামী লীগের মিশন বাস্তবায়ন করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৩০ সেপ্টেম্বর বিকাল ৪ টার দিকে আওয়ামী সন্ত্রাসী নিয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ তালতলি বাজারে শোডাউন দেয়। এসময় ডাচ্ বাংলা বুথের দক্ষিন পাশে বিএনপি নেতা জহিরুল হক ও ফোরকান দাড়িয়ে ছিল। হঠাৎ নজরুল ইসলাম লিটুসহ তার বাহিনী জহিরুল হক ছোট্টর কাছে ৫ লাখ টাকা দাবি করেন। দাবিকৃত টাকা দিতে অস্বীকার করলে কথার কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে তালতলী উপজেলা বিএনপির আহবায়ক এর ভাই বিএনপি নেতা জহিরুল হক ছোট্ট ও উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ও জাসাসের সভাপতি ইমরান হোসেন ফোরকানকে ফরহাদ হোসেন আক্কাস ও নজরুল ইসলাম লিটুসহ তাদের সন্ত্রাসী বাহিনী এলোপাথারি মারধর ও হাতুরি দিয়ে মাথা থেতলে দেয়। এসময় স্থানীয়রা ঐ দুইজনকে উদ্ধার করে প্রথমে তালতলী হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আহতের অবস্থা গুরুত্বর দেখে বরিশাল পাঠান। এ ঘটনায় থানায় নজরুল ইসলাম লিটু ও উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ন আহবায়ক ফরহাদ হোসেন আক্কাস মৃধাসহ ২৯ জনের নামে মামলা দায়ের করেছেন ছোট্টর ভাই দুলাল।

তিনি আরও বলেন, আক্কাস মৃধা তার নিজ আইডি থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাহিনীকে নির্শে দেন দেশীয় অস্ত্র রামদা, হাতুড়ি, রডের পাইপ,রড, স্বমিলের কাঠ ও লাকড়ি, ইটের টুকরা, মারবেল, ছটকা সংগ্রহ করে জমা রাখতে সন্ত্রাসী বাহিনীকে প্রস্তুত থাকতে বলেন। ফরহাদ হোসেন নানা সময় বির্তকিত ছিলো দলের ভেতরে। বর্তমানে আওয়ামী লীগের নেতাদের সাথে নিয়ে তিনি নিজেই বিএনপি নেতাদের উপরে এভাবে নৃশংস হামলা চালায়। আমি দীর্ঘদিন বিএনপির দলীয় রাজনীতির সাথে জড়িত। আমি দলের হাইকমান্ডের নিকট আবেদন করছি শহীদ জিয়ার আদর্শের প্রকৃত বিএনপি নেতাকর্মীদের রক্ষায় এই বহুরূপী, দখলদার ফরহাদ হোসেন আক্কাসকে দল থেকে বহিষ্কার ও হামলাকারী লিটুসহ তার বাহীনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি। তিনি আরও বলেন, নজরুল ইসলাম লিটু বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে বিরোধিতা করেছেন। যার একাধিক প্রমান আমাদের কাছে আছে।

এ বিষয়ে ফরহাদ হোসেন আক্কাস মৃধা বলেন,সংবাদ সম্মেলনে তিনি যে বিষয়ে অভিযোগ করেছেন তা মিথ্যা। তিনিই আওয়ামীলীগর সময় সকল সুযোগ নিয়েছে এখন তাকে দল থেকে বহিস্কার না করলে উপজেলা বিএনপি ক্ষতিগ্রস্থ হবে।

বিদেশি শিক্ষার্থীকে যৌন নির্যাতনের ঘটনার দ্রুত তদন্তের দাবিতে বাকৃবিতে মানববন্ধন

বিদেশি শিক্ষার্থীকে যৌন নির্যাতনের ঘটনার দ্রুত তদন্তের দাবিতে বাকৃবিতে মানববন্ধন

Post Image

বাকৃবি প্রতিনিধি: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কৃষি অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. হারুণ-অর-রশিদের বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ার ছাত্রীকে যৌন হয়রানি অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে মানববন্ধন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে মানববন্ধন শুরু হয়। এ সময় উপস্থিত শিক্ষার্থীরা নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে দ্রুত নারী নিরাপত্তা সেল কার্যকর করার দাবি জানায়।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, "এই মানববন্ধন এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানাতে চাই আগামী তিন কার্য দিবসের মধ্যে আমরা এর তদন্ত রিপোর্ট চাই। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের দ্রুত বিচারের আওতায় এনে যেন সর্বত্র শাস্তি প্রদান করা হয়। অতীতেও আমরা তদন্ত কমিটি দেখেছি কিন্তু কোন তদন্ত রিপোর্ট দেখিনি। তিন কার্য দিবসের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়া না হলে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে যাব।"

শিক্ষার্থীরা আরো বলেন, "ক্যাম্পাসে বহিরাগতরা অবাধে বিচরণ করছে। আমরা শিক্ষার্থীরা এই পরিবেশে নিরাপদ নয়। নারী শিক্ষার্থীরা যেন ক্যাম্পাসে নিরাপদে চলাচল করতে পারে সেই জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে দ্রুত নির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করার আহ্বান জানাচ্ছি।"

উল্লেখ্য, সম্প্রতি অধ্যাপক ড. মো. হারুণ-অর-রশিদের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি ও লাঞ্ছনার অভিযোগ করেছে মালয়েশিয়ার নারী শিক্ষার্থী। ঘটনাটি জানাজানি হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহবুব আলমকে আহ্বায়ক এবং বায়োটেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. শহিদুল ইসলামকে সদস্য সচিব করে ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বাকৃবিতে শিক্ষকের বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ান শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ

বাকৃবিতে শিক্ষকের বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ান শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ

Post Image

বাকৃবি প্রতিনিধি: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কৃষি অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. হারুণ-অর-রশিদের বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ার নারী শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানি অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিপীড়ন বিরোধী শিক্ষার্থীরা। শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আব্দুল জব্বার মোড়ে প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে ওই বিক্ষোভ সমাবেশ হয়। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বিদেশি শিক্ষার্থীরাও সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন।

নেপালি শিক্ষার্থী বিক্রম ধোজু বলেন, আমাদের বিদেশি শিক্ষার্থীর সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপকের খারাপ আচরণের খবর শুনে আমরা চুপ করে বসে থাকব না। ওই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। আমরা চাই আইনের মাধ্যমে সকল অপরাধীর শাস্তি হোক। শ্লীলতাহানিকারীকে আইনের আওতায় এনে শাস্তি দিতে হবে। এ ঘটনার যথাযথ তদন্ত হোক। এটি বর্তমানে কেবল বিদেশি শিক্ষার্থীদের ব্যাপার নয়, এটি এখন আমাদের সবার চিন্তার বিষয়। শুধু বিদেশিরাই নয়, বাঙালি শিক্ষার্থীরাও এই এনসিডি (নন কমিউনিকেবল ডিজিজ) রোগে আক্রান্ত। একজন ভুক্তভোগীর জন্য আইনি প্রক্রিয়ার বিলম্ব হওয়া অন্যায়ের সমান।

ঘটনার প্রেক্ষিতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূইঁয়া জানান, এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এখন তদন্ত কমিটির রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করছি। এখানে অপরাধী কাউকে ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আমরা অবশ্যই ন্যায় বিচার করবো।’

উল্লেখ্য, সম্প্রতি অধ্যাপক ড. মো হারুন-অর-রশিদের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি ও লাঞ্ছনার অভিযোগ করেছে মালয়েশিয়ার নারী শিক্ষার্থী। ঘটনাটি জানাজানি হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহবুব আলমকে আহ্বায়ক এবং বায়োটেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. শহিদুল ইসলামকে সদস্য সচিব করে ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। এদিকে এই সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমা দিবেন বলে জানিয়েছেন তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মাহবুব আলম।

ভারতে বিশ্ব নবীকে নিয়ে কটুক্তি করায় পটুয়াখালীতে বিক্ষোভ মিছিল

ভারতে বিশ্ব নবীকে নিয়ে কটুক্তি করায় পটুয়াখালীতে বিক্ষোভ মিছিল

Post Image

পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি: ভারতে বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা) কে নিয়ে কটুক্তি করায় পটুয়াখালীতে ২য় বারের মতো বিক্ষোভ মিছিল করেছে শিক্ষার্থীরা।

২৭ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার)বিকাল ৫ টায় এই মিছিলটি ঝাউতলা শহীদ মিনার চত্বর থেকে শুরু হয়ে পটুয়াখালী সোনালী ব্যাংক রাস্তা প্রদক্ষিণ করে। তারপর তারা ঝাউতলা হৃদয় তড়ুয়া চত্বরে কিছুক্ষন বক্তব্য রাখেন। এই মিছিলে উপস্থিত ছিল পটুয়াখালী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা এবং বাংলাদেশ ছাএসংঘের অনেক শিক্ষার্থী। একই মিছিলে তুলে ধরা হয় ফিলিস্তিনের মুসলিমদের উপর অমানবিক নির্যাতনের কথা। বক্তরা বলেছেন প্রয়োজনে ইসলামের জন্য তারা যুদ্ধ করতেও প্রস্তুত।

ভারতে ইসলাম ধর্ম ও রাসুল (সঃ) কে নিয়ে কটুক্তির প্রতিবাদে পটুয়াখালী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

ভারতে ইসলাম ধর্ম ও রাসুল (সঃ) কে নিয়ে কটুক্তির প্রতিবাদে পটুয়াখালী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

Post Image

মো: নাজমুল,পটুয়াখালী প্রতিনিধি: ভারতে ইসলাম ধর্ম ও রাসুল (সঃ) কে নিয়ে কটুক্তির প্রতিবাদে পটুয়াখালী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ।



ভারতের একজন পূজারি এবং ভারতের ক্ষমতাশীল দল বিজিবি সরকারের এক বিধায়ক ইসলাম ধর্মের সর্বশেষ নবী, বিশ্বনবী হযরত মোহাম্মদ (স:) নিয়ে কটুক্তি করে। যার কারনে ভারত সহ বিশ্বের অনেক মুসলিম দেশে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। আজ ২৬ সেপ্টেম্বর(বৃহস্পতিবার)বিকাল সারে তিনটার সময় পটুয়াখালী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। বিক্ষোভ অংশগ্রহণ করে প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী। এই সময় তারা পটুয়াখালী ঝাউতলা, চৌরাস্তা সরক প্রদক্ষিণ করে। শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে যানা যায়, তারা তাদের নবীর অপমান সহ্য করবে না।

তারা এই বিক্ষোভের মাধ্যমে ভারত সরকারকে লক্ষ করে বলেছেন, যারা নবীজিকে অপমান করে করেছে তাদেরকে শীঘ্রই কঠিন বিচারের আওতায় আনতে হবে।

বাইডেনের সাথে বৈঠক চলছে প্রধান উপদেষ্টার

বাইডেনের সাথে বৈঠক চলছে প্রধান উপদেষ্টার

Post Image

বুলেটিন বার্তা ডেস্ক: বাংলাদেশ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু হয়েছে।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে এ বৈঠক করছেন প্রধান উপদেষ্টা।

নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় আজ মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় আজ রাত ৮টা ৫০ মিনিটে) জাতিসংঘ সদর দফতরে এই দুই নেতার মধ্যে বৈঠক শুরু হয়।

ঢাকা ও নিউইয়র্কের কূটনৈতিক সূত্রের খবর, নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় আজ বেলা সাড়ে ১১টায় (বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৯টা) জাতিসংঘ সদর দফতরে ড. ইউনূস-জো বাইডেনের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গী আলোকচিত্রী সাংবাদিক শহিদুল আলমের মতে, আলোচনায় উঠে আসতে পারে ভারত বাংলাদেশ সম্পর্কের বিষয়টিও।

শহিদুল আলম বলেছেন, এই মুহূর্তে শেখ হাসিনা ভারতে আছেন। তার বিষয়টি আলোচনায় আসবে কি না জানি না। তবে আমাদের অনেক কিছু পাওয়ার আছে। অনেক দাবিও আছে। ভারতের সাথে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে কিছুটা দূরত্ব হয়েছে। আমরা চাই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক হবে শ্রদ্ধার ও সম্মানের। ৫ আগস্টের আগে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গণহত্যার বিষয়টিসহ বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপট তুলে ধরা হবে জো বাইডেনের কাছে।

বিষয়টি নিয়ে শহিদুল ইসলাম বলেন, নিঃসন্দেহে ড. ইউনূস এই অধিবেশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। তার প্রতি বিশ্বনেতাদের একটি আলাদা আগ্রহ রয়েছে। অনেকেই জুলাই বিপ্লব নিয়ে ইতোমধ্যেই জানতে চেয়েছেন। এসব বিষয় আলোচনায় উঠে আসবে। বিশ্বের অন্যতম ক্ষমতাধর যুক্তরাষ্ট্রের কাছে জিএসপি সুবিধা ফিরে পাওয়ার বিষয়ে বাইডেনের সাথে বৈঠকে একটি সমাধান আসবে বলেও মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের লং আইল্যান্ড ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. শওকত আলী বলেন, শেখ হাসিনা সরকারের নানা অনিয়মের কারণে জিএসপি সুবিধা বাতিল করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। আশা করছি, এই বৈঠকের মাধ্যমে বাংলাদেশ কাঙ্ক্ষিত সেই জিএসপি সুবিধা ফিরে পাবে।

স্বৈরাচারকে ঘৃণা করি তাই বলে জিন্নাহকে ভালোবাসবো না

স্বৈরাচারকে ঘৃণা করি তাই বলে জিন্নাহকে ভালোবাসবো না

Post Image

বাউফল উপজেলা প্রতিনিধি: আরো অনেক কিছু শিখতে হবে, দেখতে হবে এই বাঙালি জাতি থেকে।

স্বৈরাচারকে ঘৃণা করি। আমার ভারতকে অপছন্দ। তাই বলে আমি পাকিস্তানকে ভালোবাসবো..? ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাকে আমরা অস্বীকার করতে পারি না। যে স্বৈরাচার এই স্বাধীনতাকে বিকৃত করছে তাকে আমিও ঘৃণা করি। কিন্তুু যারা আমার দেশের ৩০ লক্ষ মানুষকে হত্যা করছে, যারা আমার দেশের ২ লক্ষ মা বোনের ইজ্জত কেড়ে নিছে সেই পাকিস্তান জাতির প্রতি আমরা কি করে ভালোবাসা দেখাতে পারি। মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ আমাদের মাতৃভাষা কেড়ে নিতে চাইছিল তার আজ মৃত্যুবার্ষিকী পালন হচ্ছে এই বাংলাদেশ। বাহ কত সুন্দর। পাকিস্তান জাতি মানে সবাই খারাপ। আমি এমনটি বলি না। কই ইমরান খান তো বাংলাদেশ নিয়ে কথা বলে। তাকে নিয়ে কিছু বলেন না কিংবা করেন না। তাহলে যে আমাদের মুখের ভাষা কেড়ে নিতে চাইছে তার মৃত্যুবার্ষিকী উদযাপন হয় বাংলাদেশে। ৩০ লক্ষ শহিদদের অবদানকে সত্যিই ভুলে যাবার। স্বৈরাচারকে ঘৃনা করি,,,,ঠিক তার চেয়ে বেশি ঘৃনা করি সেই পাকিস্তানিদের যারা বাংলাদেশের মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করছে। এখন অনেকে বলবেন, তিনি মুশলিম তাকে আমরা মুসলমানরা ভালোবাসবো। তো বলি কি ভাই, পাকিস্তানিরা তো মুশলিম হয়ে আমার দেশের মুশলিমদের কি করে মারলো। উওর দিয়ে যাবেন। তখন তাদের ভালোবাসা কই ছিল...?