শরতের কাশফুলের মুগ্ধতায় পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

Post Image

মোঃ সাইফুল ইসলাম, পবিপ্রবি প্রতিনিধি: 

“নিচে সাদা কাশফুল, উপরে মেঘের ভেলা, আহা কি অপূর্ব, এই গোধূলি বিকেল বেলা।

শরতের এই সময়টা যেন প্রকৃতির এক নতুন রূপ ধারণ করে। পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এম. কেরামত আলী হলের পরিবেশও এর ব্যতিক্রম নয়। হলের সামনে সারি সারি সাদা কাশফুল বাতাসে হেলে-দুলে, এক অপরূপ দৃশ্য উপস্থাপন করছে। প্রতি বছর এই সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কাশফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসে। কাশফুলের সাদা রঙ এবং হলের পেছনের সবুজ বৃক্ষরাজি মিলে এক চমৎকার প্রাকৃতিক দৃশ্য তৈরি করেছে। এসময় অনেক শিক্ষার্থী এবং পর্যটকরা ছবিও তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী বলেন, "কাশফুল শরতের আভাস দেয়। এটি আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের একটি অংশ। কাশফুলের সৌন্দর্য মানুষের মনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। কাশফুলের সৌন্দর্য যেকোনো মানুষের মনে মুগ্ধতা সৃষ্টি করে।"

এম. কেরামত আলী হলের সামনে কাশফুলের উপস্থিতি শুধু সৌন্দর্যই নয় বরং এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে মেলবন্ধনের একটি পর্যটন স্পট। এই সময়টি তাদের জন্য অবকাশ এবং প্রাণবন্ততার সময়। এছাড়াও শরতের কাশফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছাড়াও স্কুলের ছোটছোট শিশু, কিশোর-কিশোরী থেকে শুরু করে সকল বয়সের মানুষ এখানে এসে কাশফুল সৌন্দর্য উপভোগ করেন।

শরতের কাশফুলের এই মুগ্ধতা বিশ্ববিদ্যালয়ের আঙ্গিনায় ভিন্ন রকমের একটি অনুভূতি সৃষ্টি করে, যা শিক্ষার্থীদের মনে আনন্দ এবং সৃষ্টিশীলতার উৎসাহ যোগায়। এই সৌন্দর্যকে অনুভব করতে আসা প্রত্যেকের জন্য এক বিশেষ অভিজ্ঞতা।


শেয়ার করুন

0 coment rios: