আরিফ বিল্লাহ , ইবি প্রতিনিধি:
বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরী প্রশাসনিক ও আর্থিক কার্যক্রম পরিচালনা সংক্রান্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে 'একাডেমিক' শব্দ উল্লেখ করার দাবি জানিয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এদিকে একই দাবি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও আর্থিক কার্যক্রম পরিচালনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. সিদ্দিকুর রহমান আশ্রাফী।
জানা যায়, সরকার পতনের পরে পদত্যাগ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ। শীর্ষ তিন পদ খালি থাকায় স্থবির হয়ে পড়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম। বন্ধ রয়েছে সকল বিভাগের ক্লাস-পরীক্ষা। উপাচার্য না থাকায় ক্লাস-পরীক্ষা শুরু করতে পারেছেনা বিভাগগুলো। ফলে সেশনজটে পড়ার আশঙ্কা করছেন শিক্ষার্থীরা। তাই দ্রুত ক্লাস-পরীক্ষা চালু করতে মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে একাডেমিক বিষয় উল্লেখের দাবি জানিয়েছেন তারা।
এর আগে, বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি প্রশাসনিক ও আর্থিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ডিন কাউন্সিলের মাধ্যমে জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক মনোনয়ন সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, উপাচার্য নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও আর্থিক কার্যক্রম পরিচালনার নিমিত্তক বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন কাউন্সিল, ক্ষেত্রমতে বিভাগীয় চেয়ারম্যানগণের সঙ্গে আলোচনাক্রমে একজন জ্যেষ্ঠ অধ্যাপককে দিয়ে সাময়িকভাবে জরুরি প্রশাসনিক ও আর্থিক দায়িত্ব পালনের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে পরামর্শ প্রদান করা হলো।
প্রজ্ঞাপনে শুধু প্রশাসনিক ও আর্থিক কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে বলা হয়েছে। কিন্তু এতে একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়টি উল্লেখ করা হয় নি। এটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও সমালোচনা করছেন তারা।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ইবি'র সমন্বয়ক এস এম সুইট বলেন, আমরা চাই আগামী সপ্তাহ থেকেই ক্লাস চালু করা হোক। আমি মনে করি মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে একাডেমিক বিষয়ে বলা না থাকলেও শিক্ষকরা যদি ক্লাস চালু করেন তাতে কোনো সমস্যা হবেনা।
এদিকে, নতুন প্রশাসনিক ও আর্থিক দায়িত্ব পাওয়া অধ্যাপক ড. ছিদ্দিকুর রহমান আশ্রাফী বলেন, মন্ত্রণালয়কে আমরা অনুরোধ করবো জারি করা চিঠিতিতে যেন একাডেমিক শব্দটি জুড়ে দেওয়া হয়। যদি না দেয় তবে আগামী সপ্তাহ থেকে সশরীরে ক্লাস চালুর করার চেষ্টা করবো৷ এই সময়ে আমি সকলের একান্ত সহযোগিতা কামনা করছি।
0 coment rios: