![]() |
| ছবি: বিক্ষোভ ও সমাবেশ |
বুলেটিন বার্তা ডেস্ক:
রাজধানীর কাকরাইলস্থ বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের (সিএজি) কার্যালয়ের সামনে কর্মচারীরা ডিপার্টমেন্টাল বৈষম্যের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ও সমাবেশ করেছেন। সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) তারা এ বৈষম্যের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেন। কর্মচারীরা অভিযোগ করছেন যে, উচ্চ আদালতের একাধিক রায় থাকা সত্ত্বেও তাদের পদোন্নতির ক্ষেত্রে ১০ম গ্রেড এখনো বাস্তবায়িত হয়নি।
২০১৩, ২০১৫ এবং ২০১৮ সালে হাইকোর্ট এবং আপিল বিভাগ অডিটর পদে কর্মরতদের ১০ম গ্রেডে উন্নীত করার পক্ষে রায় প্রদান করে। যদিও অর্থমন্ত্রণালয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং আইন মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে ইতিবাচক অবস্থান নিয়েছে, অজানা কারণে শুধুমাত্র একটি মামলার রিটকারী ৬১ জনকে ১০ম গ্রেড প্রদান করা হয়েছে। অন্যান্য অডিটরদের দাবি উপেক্ষা করে বাকি সবাইকে পূর্বের গ্রেডে রাখা হয়েছে। পরবর্তীতে আরও মামলা হলে আদালত অডিটর পদে সকলের জন্য ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন।
আজকের সমাবেশে উপস্থিত কর্মচারীরা দাবি করেন যে, অডিটর পদে দুই ধরনের গ্রেড বিদ্যমান থাকার ফলে বেতন বৈষম্যের সৃষ্টি হয়েছে। উচ্চ আদালতের রায় এবং বর্তমান আইন উপদেষ্টার ইতিবাচক মতামতের ভিত্তিতে, তারা অডিটর পদকে ২৩ ডিসেম্বর ২০১৮ তারিখ থেকে ১০ম গ্রেডে বাস্তবায়নের দাবি করেন।
সমাবেশে উপস্থিত অডিটররা সিএজি কার্যালয়ের কাছে দ্রুত এই গ্রেড বাস্তবায়নের আহ্বান জানান। সারা দেশের অডিটররাও এ সমাবেশের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে এবং তাদের দাবি পূরণের জন্য একযোগে আন্দোলনের ঘোষণা দেন। তাদের মতে, ১০ম গ্রেড কোনো নতুন দাবি নয়, বরং এটি তাদের ন্যায্য অধিকার।
উল্লেখ্য, অর্থমন্ত্রণালয়ের ৩ নভেম্বর ২০১৩ তারিখের ৩২৮ স্মারকে জারি করা পত্রে জুনিয়র অডিটরকে ১৪ গ্রেড, অডিটরকে ১০ম গ্রেড, সুপারকে ৯ম গ্রেড এবং নিরীক্ষা ও হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তাকে ৭ম গ্রেডে উন্নীত করার কথা বলা হয়েছিল। তবে এ আদেশ এখনও বাস্তবায়িত হয়নি।

0 coment rios: